জাতি ভেদ -শিবনাথ শাস্ত্রী
কিরূপে জাতিভেদ প্রথার সৃষ্টি হইল? ইহার প্রমাণ সকল আমরা কোথা হইতে সংগ্রহ করিব? যাহাকে বিশ্বাসযোগ্য ইতিহাস বলে, যাহাতে অতীতকালের ইতিবৃত্ত যথাযথরূপে বর্ণিত হইয়াছে, সংস্কৃত ভাষাতে এরূপ গ্রন্থ বিরল; যে কিছু ইতিবৃত্তমূলক গ্রন্থ আছে, তাহাও কবির কল্পনা দূষিত; সে সকলকে অতীতের ইতিবৃত্ত বলিয়া গ্রহণ করা দুষ্কর। এরূপ স্থলে উপায় কি? আমরা একটু চিন্তা করিলেই দেখিতে পাইব যে একটী জাতির সাহিত্য, কাব্য, নাটক, ধর্ম্মশাস্ত্র, পুরাণ প্রভৃতি যদি পাওয়া যায় এবং ঐ সকল গ্রন্থের কাল নির্ণয় যদি কোন প্রকারে করিতে পারা যায়, তাহা হইলে আমরা বহুল পরিমাণে উক্ত জাতির সামাজিক ইতিবৃত্ত নির্ণয় করিতে পারি। মনে করুন বেদের কোন স্থানে যদি এরূপ একটী স্তুতি দেখি—হে ইন্দ্র! তুমি ত্বরায় তোমার উপাসকগণের নিকট এস, বণিক সমুদ্রে পোত প্রেরণ করিয়া যেরূপ উৎসুক অন্তরে অপেক্ষা করে, আমরাও সেইরূপ তোমার জন্য উৎকণ্ঠিত চিত্তে অপেক্ষা করিতেছি। এতদ্দ্বারা কি এরূপ অনুমান করা যায় না যে, যে সময়ে বেদের উক্ত সূক্তটী রচিত হইয়াছিল যে সময়ে নিশ্চয় বাণিজ্যার্থ সমুদ্রে গমনাগমন হইত ? এইরূপে জাতিভেদ প্রথার আদি নির্ণয়ের জন্যও আমাদিগকে Read More …