টুসুগানে ক্রমপরিবর্তনশীল সমাজ ও সংস্কৃতির প্রভাব : ঐতিহ্য ও আধুনিকতা
শ্রুতি সেন সারসংক্ষেপঃ সংগীতের গতিপ্রকৃতি ও বিবর্তন সংক্রান্ত পর্যালোচনা ও গবেষণা বর্তমানে সংগীতের উপর ডিজিটাল মিডিয়ার প্রভাব এবং তার বৃদ্ধিকে নির্দেশ করে। শুধুমাত্র সংগীতের উপরেই নয়, সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রভৃতি বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর সর্বাতিশায়ি প্রভাব লক্ষণীয়। তবে এই ডিজিটাল মাধ্যমের ব্যবহার খুব বেশী পুরাতন নয়, ১৫ থেকে ২০ বছর পূর্বের। অর্থাৎ ২০০০ সালের পর থেকে এই মাধ্যমের আমূল পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। কারণ, এই সময়কাল থেকে ইন্টারনেটের প্রাদুর্ভাব হওয়ায় এর ব্যবহার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা পূর্বে এত প্রকট ছিল না। তখন দূরদর্শনে গান গাইতে গেলে রেকর্ড করা গানই শোনানো হত, কোনরকম লাইভ টেলিকাস্টের ব্যবস্থা ছিল না। যন্ত্রানুষঙ্গের ব্যবহার কম করা হত, আঞ্চলিক গানে যন্ত্রশিল্পী থাকতেনই না, বর্তমানে এই চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। ইন্টারনেট আসার ফলে সমগ্র সংগীত ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। টুসু গানও এই ডিজিটাল মাধ্যমের করাল গ্রাসে আক্রান্ত। এই টুসু মুখ্যত রাঢ়বঙ্গের কৃষি উৎসব এবং লোকগীতি। এ কথা সত্য যে, ডিজিটাল মাধ্যমের সাহায্যে পুরো বিশ্বব্যাপী এই ধরণের স্বতন্ত্র জনগোষ্ঠীর যে Read More …