Tanmoy Majumder, Assistant Professor, Raja Narendra LalKhan women’s College (Autonomous) and Research Scholar Visva Bharti, Sangeet Bhavan
Abstract
Thumri is a type of emotion-driven, light classical music from Uttar Pradesh, characterised by its romantic and erotic (shringar) essence. This musical genre is deeply intertwined with the name of Nawab Wajid Ali Shah (13/07/1822 – 21/09/1887), a ruler and artist from Ayodhya, Uttar Pradesh. Among the prominent artists associated with the Thumri singing style are Begum Akhtar, Girija Devi, Siddheshwari Devi, Savita Devi, and Dr. Prabha Atre, a stalwart of the Kirana gharana. While Dr. Atre was highly proficient in Khayal singing, her Thumri renditions also exhibited an impeccable melodic sweetness and diversity. Among her many Thumri performances, “Kaun Gali Gayo Shyam” remains immensely popular. By preserving the core characteristics of Kirana gharana classical music, this exceptional artist elevated Thumri singing to a unique height with her distinct style. Dr. Prabha Atre was a female vocalist who not only achieved success by maintaining the aesthetic brilliance and creativity of Khayal, Bhajan, and Thumri-Dadra but also mastered the skill required to elevate Thumri to a grander stage.
Keywords
Keywords: Thumri, Uttar Pradesh, Light Classical Music, Shringar Ras, Nawab Wajid Ali Shah, Ayodhya, Begum Akhtar, Girija Devi, Siddheshwari Devi, Savita Devi, Kirana Gharana, Dr. Prabha Atre, Khayal, Kaun Gali Gayo Shyam, Bhajan, Dadra, Aesthetic Brilliance, Classical Music Vocalist.
ভূমিকা
ভারতবর্ষকে শিল্পের ভান্ডার বলা গেলে কোন অংশে কম হবে না। সমস্ত দেশের মধ্যে ভারতবর্ষ শিল্প ও সংস্কৃতির দিক দিয়ে শীর্ষস্থানে অবস্থান করে সংস্কৃতির দিক বিচার করলে দেখা যায় লোকও সংস্কৃতিতকে মানব জীবনের আয়না বলা হয়। যে কোন শিল্পকে চর্চা করতে গেলে তার সংস্কৃতি নিয়ে চর্চা করা অতি আবশ্যক। এবং শিল্প ও সংস্কৃতি চর্চা করতে গেলে সেই অঞ্চলের শিল্প ও সংস্কৃতির পাশাপাশি সেখানকার খাদ্যাভাস, ভাষা এবং ভৌগোলিক অবস্থান অধ্যয়ন করা অপরিহার্য হয়ে ওঠে। ভারতীয় সংগীতের ইতিহাস অধ্যয়ন ও চর্চা করতে গেলে দেখা যায় প্রবন্ধ হতে ধীরে ধীরে কালের বিবর্তনের হাত ধরে সংগীত আজ বিভিন্ন ধারায় বিভক্ত হয়েছে। তার মধ্যে একটি ধারা হলো ঠুমরি। আর এই ঠুমরি উত্তর ভারতীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং অন্যান্য সংগীতের মতো ঠুমরি সঙ্গীতের একটি নিজস্ব স্টাইল রয়েছে। এই ঠুমরির আদি ইতিহাস বর্ণনা করলে দেখা যায় তার উৎস লোকসংগীত থেকে। লোকসংগীতও যেমন ভাব প্রকাশ করার একটি প্রধান মাধ্যম ঠিক তেমনি ঠুমরিও প্রকাশের একটি সুন্দর ও সরস মাধ্যম। ঐতিহ্যবাহী ঠুমরিগুলি শৃঙ্গার রসের উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং ব্রোজ ভাষায় পাওয়া যায়। আজ ঠুমরি একটি স্বাধীন ধারার আকারে আমাদের সামনে আবির্ভূত হয়েছে। ঠুমরির অভিব্যক্তি হল এর সৌন্দর্যের পুষ্টি। ঠুমরি রচনার উপস্থাপনার একটি স্বতন্ত্র ধরণ রয়েছে। যেখানে এই সংগীতকে সসজ্জিত করা হয় এবং মুরকী, তান অঙ্গের ছোট সুর ইত্যাদি দিয়ে শব্দগুলিকে অলংকৃত করে প্রাণবন্ত করা হয় এবং গাওয়ার ধরনে ব্যবহার করা হয়, যা এই উপসাস্ত্রীয় গানের সৌন্দর্যকে তুলে ধরে।
এই সংগীত সর্বক্ষেত্রে শব্দ থেকে শব্দ তৈরীর একটি বহু পুরনো ঐতিহ্য আছে। ঠুংরি ঘারানার মধ্যে দুটি ভাগ লক্ষ্য করা যায়। একটি পুরব অঙ্গ যার মধ্যে পড়ছে লক্ষ্ণৌ ও বেনারস ঘারানা ও আরেকটি হলো পাঞ্জাব অঙ্গ। পুরব অঙ্গ যা ১৯০০ শতকে শাস্ত্রীয় নৃত্য কথক থেকে সৃষ্ট একটি সংগীত। যাকে বলা হয় বন্দিশকি ঠুমরি বা বোল বনাও কি ঠুমরি। এই ঠুমরির সৃষ্টিকর্তা হিসাবে লক্ষ্ণৌ নবাব ওয়াজিদ আলী শাহ-এর নাম প্রথমেই উঠে আসে। এছাড়াও আরেকটি অঙ্গ হল পাঞ্জাব অঙ্গ, এই পাঞ্জাব অঙ্গের ঠুমরী হল ঠুমরীর একটি অনন্য শৈলী যা পাঞ্জাবের লোকসংগীত ও ধ্রুপদী ঐতিহ্যের দ্বারা প্রভাবিত।
ঠুমরি সঙ্গীতকে যে সকল শিল্পীরা শাস্ত্রীয় ও উপস্বাস্ত্রীয় সংগীতের ইতিহাসে শীর্ষস্থানে নিয়ে গেছেন, তাদের মধ্যে গিরিজা দেবী, সিদ্ধেশ্বরী দেবী, বেগম আখতার ও ড. প্রভা আত্রেজি-এর নাম উল্লেখযোগ্য। ড. প্রভা আত্রে হলেন একমাত্র মহিলা গায়িকা এবং বাগ্যেওকার যিনি ঠুমরি গানের মৌলিক বিষয়গুলি যেমন এর স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর ছন্দ প্রকাশভঙ্গি ইত্যাদি অক্ষুন্য রেখে এবং নিজস্ব সৃজনশীলতার প্রয়োগের দ্বারা ঠুমরী গানকে উচ্চ স্তরে শুধুমাত্র নিয়েই যায়নি সফলও হয়েছেন
ড. প্রভা আত্রে একজন কিরানা ঘরানার শাস্ত্রীয় সংগীতের শিল্পী। এবং তিনি ছিলেন একজন চিন্তাশীল সংবেদনশীল স্বাধীন চিন্তাপ্রেমী শিল্পী। তার এই ঠুমরি গায়ন শৈলী কে বহু গুণী শিল্পীরা তাদের মূল্যবান মতাদর্শের মাধ্যমে সম্মান জানিয়েছেন। যে সকল ঠুমরি শিল্পী ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতে শীর্ষস্থানে অবস্থান করে তাদের মধ্যে ওস্তাদ বাড়ে গোলাম আলী খানের নাম প্রথমেই স্মরণ করা যায় এবং এর পরেই যে মহিলা শিল্পীর নাম স্মরণে
আসে তিনি হলেন বেগম আখতার। ঠুমরি সঙ্গীত এমনই একটি বিষয় যার মধ্যে যেমন সুরের বৈচিত্র লক্ষ্য করা যায় ঠিক তেমনি ভাবের গুরুত্ব অত্যাধিক পরিমাণে লক্ষ্য করা যায় একটি কথাকে কতরকম ভাব দিয়ে ও সুরের বৈচিত্রের সাহায্যে প্রকাশ করা যায় তা শুধুমাত্র এই সংগীতেই লক্ষ্য করা যায়।
আজ থেকে বহু বছর আগে যেই ঠুমরি সঙ্গীতকে শুধুমাত্র একটি কোঠায় পরিবেশিত সংগীত হিসাবে ধরা হতো এবং যেই সংগীত পরিবেশন করলে সেই সংগীত শিল্পীকে সংগীত সমাজ থেকে বহিষ্কৃত করা হতো আজ সেই ঠুমরি সংগীত যেন একটি পূর্ণ মাত্রা প্রদান করে যখন কোন শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী খেয়াল ও ধ্রুপদ পরিবেশনের পরে পরিবেশন করে। ঠুমরি সংগীতে কথার প্রাধাণ্যকে ও সুরের বৈচিত্র কে বজায় রেখে ড. প্রভা আত্রেজি তার নিপুন দক্ষতার সাহায্যে এবং উচ্চ চিন্তাশীল মননের দ্বারা বিভিন্ন ধরনের ঠুমরি সংগীত রচনা করেছেন এবং এই ঠুমরি সংগীত অনুশীলন করলে দেখা যায় তার মধ্যে বিজ্ঞানের সূক্ষ্মতা গুলিও গভীরভাবে অধ্যায়ন করেছেন ও ব্যবহার করেছেন আমাদের এই কিরানা ঘরানার শিল্পী ডঃ প্রভা আত্রেজি তিনি সর্বদা নিজের মনের অনুভূতি গুলির প্রকাশকে সংগীত উপস্থাপনার একটি স্বাভাবিক ও সরল প্রকৃতি থেকে উচ্চতর সীমা পর্যন্ত নিয়ে যেতে সফল হয়েছেন। ড. প্রভা আত্রেজির কন্ঠস্বর এর জাদুতে যেমন শাস্ত্রীয় সংগীতের যে কোন রাগকে তিনি একটি চরম সীমা অব্দি নিয়ে যেতে পারেন ঠিক তেমনি ঠুমরি সংগীত তার কণ্ঠস্বরের যাদুতে এবং অনুভূতির দ্বারা প্রানবন্ত হয়ে ওঠে। তার গাওয়া একটি ঠুমরি “কোন গলি গায়ো সাম” রাগ খাম্বাজ ও দীপচন্দী তালে আঁধারিত। এই ঠুমরি সঙ্গীতে তিনি তার নিপুণ দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ও সুরের বৈচিত্র্যকে ও ভাবকে ফুটিয়ে তুলে এমন সুন্দর একটি উপস্থাপনা আমাদের সকল সঙ্গীতপ্রেমী মানুষদের প্রদান করেছেন যা তাঁর অবর্তমানে ও আমাদের প্রতিনিয়ত শিক্ষা প্রদান করে যায়। এই ঐতিহ্যবাহী ঠুমরি তে তিনি বিভিন্ন শব্দ থেকে শব্দ তৈরির ঐতিহ্য অনুসরণ করে বোল বনাও এর দ্বারা প্রতিটি শব্দকেই প্রভা আত্রেজি সুন্দরভাবে উচ্চারণ করেছেন।এই ঠুমরির কথাগুলির অধ্যায়ন করলে দেখা যায় এটি একটি বিরহ প্রকৃতির ঠুমরি যেখানে বলা হচ্ছে সাম কোন একটি রাস্তায় হারিয়ে গেছে এবং তাকে খোঁজার যে ব্যাকুলতা সেই ভাবকে প্রভা আত্রেজি খুবই সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এবং এই ঠুমরিতে প্রতিটি সুরেই নায়িকার বিচ্ছেদের যন্ত্রণা এবং দুঃখ প্রতিফলিত হয়েছে। বহু ঠুমরি সংগীত শিল্পী,যারা ঠুমরির সুরকার হিসাবে সম্মান পেয়েছেন তাদের মধ্যে নবাব ওয়াজিদ আলী শাহ থেকে শুরু করে বেগম আখতার ও প্রমুখ সুরকারদের পর যদি কোন নাম স্মরণ করা যায় তো সেই নামটি হল কিরানা ঘরানার শিল্পী ড. প্রভা আত্রে। ডক্টর প্রভা আত্রের সঙ্গীত গুরু ছিলেন সুরেশবাবু মানে। তিনি তার গুরুর ঠুমরির পরিবেশনাকে খুবই নিপুণভাবে অনুসরণ করে ঠুমরি সৃষ্টি বা আবিষ্কার করেছিলেন ।ড. প্রভা আত্রে এর ঠুমরি রচনাগুলি খুবই সরল পরিশীলিত এবং সাধারণ স্রোতা থেকে শুরু করে সংগীতপ্রেমী সকলকে তাদের সৌন্দর্য এবং স্বতঃস্ফূর্ততা দিয়ে অনুভূত করে। এই কারণেই তার সকল সৃষ্টি প্রতিটি শ্রোতার মনের অন্তরে প্রবেশ করতে পেরেছে এবং তিনি সর্বদাই চেষ্টা করেছেন ঠুমরির ভাষাকে জটিল না রেখে সহজ ও সাধারন ভাষা হিসেবে গ্রহণ করতে। তিনি তার ঠুমরি রচনাগুলির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী রাগ গুলি ছাড়াও উত্তর ভারতীয় সংগীত থেকে প্রাপ্ত কনকাংগী, মিশ্র মালহার, মিশ্র কৌশিক কানারা, মিশ্র কাফি রঞ্জনের মত রাগগুলিকে তার সৃজনশীলতার সাথে ব্যবহার করেছেন। এবং এর ফলে বহু সংগীত শিল্পী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মনে স্থান করে নিয়েছে। তার প্রতিটি ঠুমরি পরিবেশনের দিকগুলি বিচার করলে দেখা যায় তিনি ঠুমরির সাহিত্যের ওপর প্রবলভাবে দৃষ্টিপাত করেছিলেন। এর কারণ তিনি একটি ঠুমরী গায়েন শৈলীর ক্ষেত্রে কোন কথাটির পরে তিনি বিরাম নিবেন এবং কোন কথাটি তিনি দীর্ঘ সময়ে সুরের বৈচিত্রের দ্বারা টেনে রাখবেন তা লক্ষ্য করা যায়। তিনি সকল ঠুমরিকেই খুবই সূক্ষ্ম ভাবে সুরের দ্বারা ব্যবহৃত করেছেন। একটি রাগ থেকে আরেকটি রাগে অর্থাৎ ছায়ালগ রাগের ধারা খুবই সুন্দরভাবে দেখা যায় তার গায়ন শৈলীর মধ্যে। খাম্বাজ রাগের ঠুমরি গায়নের সময় ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে একটি স্বর থেকে অন্যস্বরের যে মেলবন্ধন তিনি দেখিয়েছেন তা তার ঠুমরি গান শৈলির মধ্যে দিয়ে ফুটে ওঠে। এবং সেই রচনাটি সহজেই রস উৎপাদন অর্জন করে। এই দুটি ভিন্নস্তরের অভিব্যক্তির একটি সুষম এবং সুন্দর উপস্থাপনা অর্জনের জন্য ছন্দের সূক্ষ্মোতাগুলি দক্ষতার সাথে পর্যবেক্ষণ এবং বোঝার মাধ্যমে নৃত্য শিল্পের প্রতি একটি সূক্ষ্ম সংবেদনশীলতা দেখা যায়। যখন ছন্দের সূক্ষ্মতাগুলি ঠুমরী রচনা গানের কথার মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয় তখন অভিব্যক্তি আরো প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
প্রভা আত্রেজি ১৩ই সেপ্টেম্বর ১৯৩২ জন্মগ্রহণ করেছিলেন পুনে শহরে। এবং তিনি পাঞ্জাবি অঙ্গের ঠুমরী গান গাইতেন। তার গায়কের মধ্যে ওস্তাদ বড়ে গোলাম আলি খান ও বেগম আখতার-জির গায়কী লক্ষ্য করা যায় কারণ তিনি এই দুই শিল্পীর গান কে অনুসরণ করতেন। এছাড়াও তিনি এই পাঞ্জাবি অঙ্গের ঠুমরিকে মহারাষ্ট্রে মধ্যে প্রচার ও প্রসারের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। ড. প্রভা আত্রেজি কিরানা ঘারানার গায়নের বৈশিষ্ট্য কে অক্ষুন্ন রেখে তার নিজস্ব সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিমত্তার দ্বারা ঠুমরি গায়নের একটি নতুন ধারার সৃষ্টি করেছিলেন। তার আগে বহু কিরানা ঘরানার শিল্পিরা ঠুমরি গায়নকে প্রচার ও প্রসার করেছিলেন কিন্তু তার মত এই ঠুমরি গান বিশ্বের প্রতিটি স্থানের মানুষের অন্তরে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয় নি। অন্যান্য ঠুমরি শিল্পীদের মত তিনি পাঞ্জাবি অঙ্গের ঠুমরি গায়ন শৈলীকে সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।
উপসংহার
প্রভা আত্রে জি কিরানা ঘরানার মূল বৈশিষ্ট্যকে বজায় রেখে তার নিজস্ব সুরের মূর্ছনার দ্বারা ঠুমরি সঙ্গীতকে একটি অন্যতম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি কিরানা ঘরানার মূল যে বৈশিষ্ট্য গুলি আছে সেগুলিকে অক্ষুণ্য রেখে ঠুমরি গায়ন শৈলীর মধ্যে সৃজনশীলতা এনেছিলেন। তিনি একাধারে যেমন একজন দক্ষ শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী ঠিক তেমনি তিনি একজন দক্ষ উপশাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী। যেখানে তিনি ঠুমরি, দাদরা, ভজন ইত্যাদি সংগীতকে তার নিপুন দক্ষতার সাহায্যে পরিবেশন করে গেছেন তিনি তার অমৃত লোকে যাত্রা করবার আগে পর্যন্ত বিভিন্ন ধারার সংগীত নিয়ে যেমন একাধারে চর্চা করেছেন তেমনি প্রতিনিয়ত সেই সংগীতের সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম বিষয় নিয়ে গবেষণাও করেছেন। তাকে তার এই গায়ন শৈলীর জন্য বহু সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।
গ্রন্থপঞ্জি
- The History and The origin of the thumri with special reference to Gharana and styles- Premlata Sharma
- Tthumri and Women musician of North India of early 20th century -Sanyukta kashalkar karve
- Varanasi ki thumri ki parampara or thumri Gaikaaye: ek abalokan- Dr Jyoti Sinha
- Sureshbabu through the notes of Yeman- Prabha Atree
- Thumri, Ghazal, and modernity in Hindustani music culture-Peter L. Manuel
- Thumri Singing in Kolkata: A new dimension of Stylization and application- Dr Swati Sharma