রবীন্দ্রনাথের নৃত্যনাট্যে প্রাচীন ভারতীয় নাট্যতত্ত্বের প্রতিফলন – উদয় কর্মকার
সারসংক্ষেপ (Abstract in Bengali):রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নৃত্যনাট্যসমূহ যেমন চণ্ডালিকা, শ্যামা, ও চিত্রাঙ্গদা—এই সব কৃতিতে প্রাচীন ভারতীয় নাট্যতত্ত্বের সুস্পষ্ট প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। ভারতীয় নাট্যশাস্ত্র, বিশেষত ভরতমুনির নাট্যশাস্ত্র, আবহমান কাল ধরে শিল্পকলার নানা ধারাকে প্রভাবিত করেছে। রবীন্দ্রনাথ এই তাত্ত্বিক ভিত্তিকে আধুনিক রূপ দিয়েছেন তাঁর নৃত্যনাট্যে। রস, ভাব, অঙ্গিক, সাত্ত্বিক ও বাচিক অভিনয়প্রকরণ, সংগীত ও নৃত্যের সম্মিলনে নির্মিত তাঁর কাব্যনাট্যগুলি প্রাচীন নাট্যতত্ত্বের রূপরেখাকে ধারণ করে সমকালীন ও মানবিক আবেগকে প্রকাশ করেছে। এই প্রবন্ধে আলোচিত হয়েছে, কীভাবে রবীন্দ্রনাথ তাঁর নৃত্যনাট্যে প্রাচীন নাট্যতত্ত্বের মৌলিক উপাদানসমূহ গ্রহণ করে, সেগুলিকে সময়োপযোগী করে রূপান্তরিত করেছেন এবং এক নতুন নাট্যভাষার সৃষ্টি করেছেন। এর ফলে তাঁর কাব্যনাট্যগুলি হয়ে উঠেছে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার এক সার্থক সংমিশ্রণ। সূচক শব্দ (Key Words in Bengali):রবীন্দ্রনাথ, নৃত্যনাট্য, ভারতীয় নাট্যতত্ত্ব, নাট্যশাস্ত্র, রসতত্ত্ব, ভাব, অভিনয়, ভরত, চণ্ডালিকা, শ্যামা, নৃত্যনাট্যচর্চা। ভারতীয় সংস্কৃতির ইতিহাসে “নাট্য” একটি অন্যতম মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্পরূপ। ভরতমুনিররচিত নাট্যশাস্ত্র হলো এই ধারার প্রাচীনতম ও প্রামাণ্য গ্রন্থ, যা নাট্য সংগীত ও নৃত্যের একটি পূর্ণাঙ্গ তত্ত্ব প্রদান করে। নাট্যশাস্ত্রে ভরত নৃত্যকে মূলত তিন Read More …