সংগীত শিক্ষা: গুরুশিষ্য পরম্পরা থেকে দূর শিক্ষা
লোপামুদ্রা চক্রবর্ত্তী “নমো যন্ত্র, নমো-যন্ত্র, নমো-যন্ত্র, নমো-যন্ত্র! তুমি চক্রমুখরমন্দ্রিত, তুমি বজ্রবহ্নিবন্দিত,…… …………তব পঞ্চভূতবন্ধনকর ইন্দ্রজালতন্ত্র।।” মানব সমাজ যে সময় থেকে সভ্য এবং উন্নততর হয়ে উঠেছে তখন থেকেই অর্থনীতি, রাজনীতি প্রভূত অনেক বিষয়ের সাথে শিল্প-সংস্কৃতি একটি অন্যতম অঙ্গ হিসেবে মানব সমাজে জায়গা করে নিয়েছে কারণ একটি সভ্য সমাজ কখনোই শিল্প-সংস্কৃতি ছাড়া গড়ে ওঠে না। শিল্প-সংস্কৃতির অন্যতম আকর্ষিত বিষয় হলো “সংগীত” এ কথা বলাই বাহুল্য। “সংগীত” ছাড়া মানব সমাজ মৃতপ্রায়। আমরা যখন আমাদের নিত্যকার জীবন যাপনে এক এক সময় হাঁপিয়ে উঠি তখন “সংগীত” শ্রবণের মাধ্যমে অনেকেই মানসিক ভাবে শান্তি অনুভব করি। আর আমাদের যারা গান-বাজনার ছাত্র-ছাত্রী আছেন তাদের কথা বলাটা ‘মায়ের কাছে মাসির গল্প’ শোনানোর মতো। এ কথা ঠিক যে, সকলের ক্ষেত্রে গান-বাজনা শেখা সম্ভব হয়ে ওঠেনা কিন্তু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নত থেকে উন্নততর হয়ে ওঠার কারণে সবাই তা শুনতে পারেন। এখন আমি যদি এই বিষয়ের ওপর সবিশেষ আলোকপাতকরি তাহলে সেই লেখনী প্রকান্ড আকার নেবে তাই আমি ‘সংগীত প্রশিক্ষণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অবদান’-কে উপলক্ষ্য করে একটি ছোট্ট বিষয়ের Read More …