The Artistry of Kolkata Tabla Makers: A Harmonious Blend of Tradition and Craftsmanship

Biswajit Bhattacharjee Abstract: Kolkata, a prominent center for tabla manufacturing in India, has distinguished itself with a unique approach to crafting this revered percussion instrument. The tablas produced in Kolkata, known for their exceptional sound quality, are crafted from heavy wood, setting them apart from those made in Mumbai, Delhi, and Varanasi. The use of dense wood is believed to enhance the resonant sound of the Kolkata tabla. Notable features include smaller heads and a preference for heavier wood compared to other regions like Jaipur. The skilled artisans in Kolkata contribute significantly to the melodious and clear tones produced by the tabla and baya. The meticulous craftsmanship, particularly in the intricate black gab work on the tabla, adds an aesthetic dimension to the instrument. The success of Kolkata’s tabla makers is attributed not only to superior raw materials but also to the artisans’ exceptional artistic skills, combining technical prowess and musical understanding. Regarded as one Read More …

পটুয়া নারী : পটচিত্র ও গান

ড. জয়ন্তী মন্ডল, অতিথি অধ্যাপিকা, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কৃত ‘পট্ট’ শব্দ থেকে পট কথাটি এসেছে। ‘পট্ট’ শব্দের অর্থ কাপড়। পটচিত্র হচ্ছে একখণ্ড কাপড়ের উপর হিন্দু দেবদেবী কিংবা মুসলিম পীর-ফকিরদের বিচিত্র কাহিনী-সম্বলিত চিত্র। এই পটচিত্রের শিল্পীদেরই বলা হয় পটুয়া। পটুয়ারা সঙ্গীত সহযোগে পটচিত্র দেখিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত। তারা গানের সুরে দর্শক ও শ্রোতাদের পটচিত্রের আখ্যানভাগ বুঝিযে় দেয়। কাপড়ের উপর পট আঁকার রীতি ছিল প্রাচীন কালেও। তা থেকেই সাধারণভাবে কাপড়ে বা অন্য স্থানে আঁকা সব ছবিকেই পট বলার রীতি প্রচলিত হয়। যারা ছবি আঁকত তাদের বলা হত পটুয়া। এভাবেই পট ও পটুয়া কথার সঙ্গে পরিচিত হয়েছে বাংলার মানুষ। প্রাচীন বাংলায় যখন কোন দরবারি শিল্পের ধারা গড়ে ওঠেনি তখন পটচিত্রই ছিল বাংলার গৌরবময় ঐতিহ্যের ধারক। আর এ চিত্র যারা অঙ্কন করতেন বা এখনও পট রচনা করছেন তাঁদের বলা হয় পটুয়া।        ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে পটের প্রচলন রয়েছে। বাংলার পটের সঙ্গে দক্ষিন ভারতের পটের চিত্রগত মিল পাওয়া যায়। ভারতের চিত্রকলা গ্রন্থেরব লেখক অলোক মিত্র লিখেছেন দাক্ষিনাত্য আর পশ্চিম বাংলার পশ্চিম Read More …

হস্ত শিল্পের বাজার : বোলপুর

বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বোলপুর শান্তিনিকেতন হস্তশিল্পের জন্য বিখ্যাত হয়ে উঠেছে অনেক কাল ধরে। রবীন্দ্রনাথ নিজে গড়ে তুলেছিলেন সমবায়। দেশজ শিল্পের উদ্যোগ। যার উপকরণ কাঠ, চামড়া, সুতো, কুঁচি, পুঁতি, ফলের বীজ, ঘাস, বালি, মাটি এই সব। যেগুলি শিল্পীর হাতে এসে অমূল্য হয়ে ওঠে। রবীন্দ্রনাথ, অবনীন্দ্রনাথ, রথীন্দ্রনাথ, প্রতিমাদেবী, প্রমুখরা এইসব শিল্পকে বুঝতে শিখিয়েছেন। শান্তিনিকেতনের সব কিছুতেই হস্তশিল্পের মেলা বসে। গান হয়। দেশজ শিল্প, দেশজ গান। বসনোতসব, পৌষ মেলা। হস্ত শিল্পে বোলপুরের পথপ্রান্তর আলোকিত হয়ে ওঠে। ছোটবড়ো সবাই মেতে ওঠেন মেলাতে। বোলপুর থেকে বেশ কিছুটা দূরে খোয়াইয়ে বেশ বেচা কেনার হাট এর কথা অনেকেই জেনে গিয়েছেন। মাত্র কয়েক বছর আগে থেকে সেখানে হাট বসতে শুরু করেছে। যা জানা যায়, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের প্রাক্তন ছাত্রী শ্যামলী খাস্তগীরের উদ্যোগে সোনাঝুরি ইউক্যালিপটাসের জঙ্গলে রাস্তার পাশে খোয়াইয়ে প্রথম হাট বসে।  স্থানীয় আদিবাসীদের বাড়ীতে অবসর সময়ে তৈরি নানান জিনিসপত্র এই হাটে বিক্রি করা এবং বাংলার শিল্প সৌন্দর্যকে পর্যটকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই মেলা শুরু হয়। রবীন্দ্রনাথের সময় থেকেই স্থানীয় আদিবাসী ও প্রান্তিক মানুষদের Read More …

হিন্দুস্তানী যন্ত্রসংগীতের বিবর্তন

ড.মৃন্ময় রায় ‘সংগীত ও সংগীতের বাদ্যযন্ত্র এত সুক্ষ্ম ও স্বতন্ত্র হয়ে গেছে যে জীবনের সাধারণ কাজকর্মে তাদের আদিরূপের সন্ধান করতে গেলে কোনো নিশ্চিৎ সন্ধান মেলে না-তাদের বর্তমান রূপগুলিই মেনে নিতে হয়। বাদ্য যন্ত্রের সাথে সংগীতের সম্বন্ধ এবং সামগ্রিকভাবে সামাজিক অগ্রগতিতে এই সম্পর্কগুলি বিশ্লেষণ করলে দেখতে পাই-তন্ত্র বাদ্যযন্ত্রের আদি উৎসমূলে ছিল সংগীত বহির্ভূত ক্রিয়াকলাপ। সংগীত শব্দটি রামায়ণে প্রথম কিস্কিন্ধ্যা কাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে এবং তার বহু পরে মকরন্দকার নারদ ও শারঙ্গদেব ব্যবহার করেছেন-এই শব্দটি। তবে বৈদিক যুগ ও প্রাচীন যুগে গীত বাদ্যাদি চর্চা বোঝাবার জন্য এককথায় সংগীত কথাটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন বৈদিক সংগীত, গান্ধর্বামার্গ সংগীত, দেশী সংগীত, বর্তমানে রাগ সংগীত ইত্যাদি, অর্থাৎ এক কথায় ‘সংগীত’ ও ‘মিউজিক সমার্থক। বৈদিক যুগে বিভিন্নরকমের বীণার উল্লেখ ছিল। বেদে বাণ বা বীণার উল্লেখ পাওয়া যায়। সাম কেদই সকল গান বা সংগীত সৃষ্টির আদি উৎসকেন্দ্র। বৈদিক যুগে গানের সঙ্গে নৃত্য ও বাদ্য থাকত। বৈদিক সাহিত্যে তথা সংহিতায়, বাহ্মণে, আরণ্যক ও উপনিষদে, ধর্ম, শ্রৌত ও কর সূক্তে, শিক্ষায় প্রাতিশাখো আত্যুদায়িক ও আভিচারিক Read More …

উত্তাল শাহবাগ ও মুক্তির গান

দেবাশিস মণ্ডল ১ সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনের দৃষ্টান্ত বাংলাদেশের শাহবাগ আন্দোলন। ফেসবুক, ট্যুইটার, মেসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপ, ইনস্ট্রাগ্রাম ইত্যাদি সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ও সংগঠিত হয় অসংগঠিত আন্দোলন।  মৌলবাদীদের নায়ক রাজাকার মিরপুরের ‘কসাই কাদের’ ওরফে আব্দুল কাদের মোল্লা ও অন্যান্য খুন,ধর্ষন, লুঠপাটের খল নায়কদের বিরুদ্ধে  লক্ষ লক্ষ মানুষের আন্দোলনে থেকে গর্জে ওঠে শাহবাগ চত্বর। মৌলবাদের বিরুদ্ধে পরোক্ষ থেকে আন্দোলন ক্রমে প্রত্যক্ষ হয়ে ওঠে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা আন্দোলনে মানবতাকে সামনে রেখে লড়াই করেছিল সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষ। সেই আন্দোলনের যে মানবতার জয়গান রচিত হয়েছিল সেই জয়গানগুলিই নতুন করে প্রাণ সঞ্চার করেছিল ২০১৩ সালের শাহবাগ আন্দোলনে। এখানেও জয়ী হয়েছিল মানুষ আর মানবতা। সেই আন্দোলন এখনো শেষ হয়ে যায়নি। এখনো তার আওয়াজ শোনা যায় সোস্যাল মিডিয়ায়। গানে গল্পে, নাটকে, সাহিত্যে। একদিকে ধর্ম বিদ্বেষ অন্যদিকে সত্য সন্ধানীদের লড়াইয়ে এখনো প্রতিদিন নতুন করে জয়ী হচ্ছে মানবতা।   স্বাধীনতা আন্দোলনে বাংলাদেশের জামাত ইসলামী শিবির নৃশংস হত্যালীলা চালিয়েছিল। পাকিস্তান সেনা শিবিরের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তারা লক্ষাধিক মানুষকে খুন, Read More …