রাঢ়ের সম্পদ ঝুমুর তুষু ভাদু গান

ড. সোমা দাস মণ্ডল রাঢ়বাংলা বাংলার সর্বত্র গানে উৎসবে ভরপুর থাকে বছরের অনেকটা সময়।  বাংলা লোকগানই তার প্রধান সম্পদ। সেখানে ঝুমুর, ভাদু,  তুষুর সুরে বেশ মিল। গানে সারল্য, উৎসবে, পার্বনে  বাংলা গানের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে রাঢ় বাংলা।  ভারতের পূর্বাঞ্চলের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও ঝাড়খণ্ডের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিই মূলত রাঢ় অঞ্চল। বাংলার অন্তর্ভুক্ত রাঢ় অঞ্চলের জেলাগুলি হল পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, বর্ধমান, বীরভূম জেলার রুক্ষ্ম কাকুরে পাথুরে মাটি। এই অংশকেই রাঢ়বাংলা বলা হয়। এই অঞ্চলে যেসব লোকসঙ্গীত প্রচলিত তা হল ঝুমুর গান, টুসু, ভাদু, হাপু, ছৌ ইত্যাদি। বাংলার এইসব গান খুব জনপ্রিয়। রাঢ় অঞ্চলের সর্বত্রই কম বেশি বাউল ও ফকিরী গানের প্রচলন থাকলেও বীরভূম জেলায় বাউল গানের আধিক্য লক্ষ্যনীয়। পুরুলিয়া জেলায় অযোধ্যা, বাগমুণ্ডি ও সংলগ্ন অঞ্চলে ছৌ নাচ ও গানের আধিক্য লক্ষ্যনীয়। রাঢ়ের অন্যান্য জেলাগুলিতে ছৌ এর প্রচলন নেই। তবে সর্বত্রই ঝুমুর গানের প্রচলন রয়েছে।  সাধারণভাবে ঝুমুর গান কে লাল মাটির গানও বলা হয়। রাঢ় বাংলার মাটি কাঁকুরে লাল বা হলুদ রঙের।  ঝুমুর গান প্রেমের গান হিসাবেই পরিচিত। Read More …

ভূত ও অদ্ভূত কাহিনী

পণ্ডিত অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায় প্রত্যেক দেখার একটা গোড়ার কথা থাকে। আমার এই লেখায় গুড়ার কতটা আমার নিজের ভাষায় না লিখে উদ্ধৃত করে দিচ্ছে। তার কারণ এই উদ্ধৃতির মধ্যে আমার ভূত সম্বন্ধে ধ্যানধারণা অভিজ্ঞতা বা অনভিজ্ঞতা সবই লুকিয়ে আছে। পণ্ডিত প্রবর সুকুমার সেন মহাশয়ের লেখা একটা বই আছে যার নাম ‘কলিকাতার কাহিনী’। সেই বইয়ের ৫৪ পাতায় একটি প্রবন্ধ আছে “ভূত ও ভীতি” নামে। এই প্রবন্ধের গোড়ায় সুকুমার বাবু লিখেছেন, ড. শ্রীসুভদ্রকুমার সেন কিছু দিন আগে একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন কলকাতার ভূত” নামে সেটি এখানে উদ্ধৃত করছি। “নানান চরিত্রের মানুষের নানান ধরনের মৃত্যুর নীরব সাক্ষী। এই শহর। অনাগত ভবিষ্যৎ একদিন বর্তমান হয়েছে এবং তারপর প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে সেই বর্তমান আবার এক সময়ে ‘ভূত হয়েছে। আর ‘ভূত’ কাল যখন নিজেকে বর্তমানে প্রক্ষেপ করে তখনই ভৌতিক সত্তা আত্মপ্রকাশ করে এবং ভীতির সঞ্চার করে। তবে অনেক কিছুর মত ভূত ও বিশ্বাসের ব্যাপার। বিশ্বাস করতে আছে; না করলে নেই। গল্পের বাইরে ভূতের অস্তিত্ব প্রমাণ করা মুশকিল। ব্যক্তির অভিজ্ঞতা কতটা গ্রহণযোগ্য বলে ধরা হবে? Read More …

দণ্ডিত সম্রাট উলুঘ বেগ

-শক্তি মণ্ডল ১৩৯৪ সালের ২২ মার্চ।বিশ্বত্রাস তৈমুর লঙ তার রণনিপুণ সেনাবাহিনীর সাহায্যে,অমিত বিক্রমে দখল করেছেন মারদান দুর্গ।যেটূকু প্রতিরোধ এসেছিল,তাকে সবলে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।এবার বিজয়ী সম্রাট দুর্গ প্রকারের মধ্যেকার বাসিন্দাদের শাস্তি ঘোষণা করবেন।সৈন্যরা এই ঘোষণার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।কেননা, এবার তাদের মওকা।এখন মনের সুখে খুন,লাম্পট্য, লুঠের মজা নেওয়া যাবে। সোনাদানায় ভরে উঠবে তাদের ব্যক্তিগত পুঁজি। এমন সময় পরিবারের বিশ্বস্ত বার্তাবাহক সম্রাটকে একটি চিরকুট দিয়ে গেল।সম্রাট উঠে দাঁড়ালেন। বললেন,”আমি সব দুর্গবাসীর বেআদবি মাফ করে দিলাম।কেননা আজ দারুণ খুশির দিন। এখুনি খবর পেলাম একটু আগেই আমার নাতির জন্ম হয়েছে।সবাই আনন্দ করো। ” এই নাতিই মহম্মদ তারাঘাই বিন শাহরুখ।সাম্রাজ্যের লোকেরা আদর করে বলত ‘উলুঘ বেগ’, অর্থাৎ মহান রাজপুত্র।উলুঘের জন্ম কাস্পিয়ান সাগরের তীরে সমরকন্দের সুলতানাইয়া প্রাসাদে।বাবা দোর্দণ্ডপ্রতাপ শাহরুখ মির্জা।মা তৈমুর ঘরানার শ্রেষ্ঠ বিদুষী, স্বাধীনচেতা গওহর সাদা।তৈমুরী রীতি অনুসারে নাতি বড়ো হয়ে উঠতে থাকে দাদু ও দাদির স্নেহে যত্নে। তৈমুর তখন সমরকন্দকে তার রাজধানী হিসাবে গড়ে তুলেছেন।সমরকন্দের অর্থ হল পাষাণ- দুর্গ। আলেকজান্ডার যখন এটি দখল করেন,তখন শহরটির নাম ছিল মরকন্দ।এটি চিনের Read More …

লৌকিক ব্রত : তুসু ও ভাদু গান

দেবাশিস মণ্ডল বাংলায় অসংখ্য আঞ্চলিক গীতি চোখে পড়ে। এরমধ্যে রাঢ় বঙ্গে ‘টুসু’ বা ‘তুসু’ এবং ‘ভাদু’ গানগুলি গ্রামের কম বয়সী মেয়েদের একান্তভাবে নিজস্ব সঙ্গীত। এক মাস ধরে প্রতিদিন গান গেয়ে ‘টুসু’ এবং ‘ভাদু’র গুণ কীর্তন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, মেদিনীপুর জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে প্রায় সব পরিবারেই এই দুটি উৎসবের প্রচলন রয়েছে। যদিও আধুনিকতার ব্যাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে আঞ্চলিক গান ও উৎসবের আধিপত্য কমে যাচ্ছে। তবু সাধারণ পরিবারে এই পরব বা উৎসবের প্রচলন রয়েছে। অঞ্চল ভেদে তুসু বা টুষু আর ভাদু গানের কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যদিও মূলগত দিক থেকে যথেষ্ট মিল রয়েছে। ‘টুসু’ কোথাও তুযু, তুষ-তুষলী বা তোষলা নামে পরিচিত। অগ্রহায়ণ সংক্রান্তির দিন গ্রামের মেয়েরা তাদের আদরের দেবীকে প্রতিষ্ঠা করেন। নতুন একটি মাটির সরাকে পিটুলি গোলা জল দিয়ে সাদা রঙ করা হয়। এর উপর লাল সবুজ রঙে চিত্রিত করা হয়। এই সরাটির মধ্যে রাখা হয় কিছু নবান্নের তুষ। কোথাও কোথাও সরার উপর সাদা রঙ করার পর সরাটিকে সিঁদুরের পঞ্চাঙ্গুলি দেওয়া হয়। Read More …

প্রতিবাদী প্রান্তিক : রবীন্দ্রনাথের বলিষ্ঠ কলম

ড. রাজশ্রী ভট্টাচার্য Abstract This paper examines the protest-oriented and ethically charged dimension of Rabindranath Tagore’s late poetry, with particular focus on Prantik (1938) and related writings composed on the eve of the Second World War. Positioned at the threshold of global catastrophe, Tagore’s poetic voice assumes a bold moral intensity, responding to rising militarism, imperial aggression, and the ethical crisis of modern civilization. The poems “Prantik 17” and “Prantik 18,” written on 25 December 1937, reflect his deep anxiety over Japanese expansionism in China and the broader disintegration of human values. Through prophetic imagery—serpentine poison, demonic forces, and apocalyptic turbulence—Tagore articulates a fierce denunciation of violence while upholding an uncompromising humanism. The study further contextualizes these poems alongside “Buddhabhakti” from Nabajatak and prose reflections such as “Sabhyatar Sankat” in Kalantar, demonstrating how Tagore’s critique of aggressive nationalism evolves into a universal ethical appeal. His correspondence with Japanese intellectuals and Indian political leaders underscores his Read More …

রাগ আলাপ : নিবদ্ধ ও অনিবদ্ধ সঙ্গীতের প্রভাব

ডঃ জয়ন্ত কুমার মল্লিক কণ্ঠসঙ্গীত বিশেষ করে ধ্রুপদ ও খেয়ালের আলাপের যথেষ্ট সুযোগ আছে। সুযোগ বললে ভুল হবে। আলাপের একটি রীতি ও নিয়ম আছে। তার কারণ আলাপ শব্দটির একটি সাধারণ অর্থই হল পরিচয়। অর্থাৎ রাগের পরিচয় বা রাগ সম্পর্কে যে জানান দেওয়া সেটির প্রথম কাজ আলাপই করে। এর একটা দিক হল শাস্ত্রীয় দিক আর একটি দিক হল শ্রোতা বা বিশেষজ্ঞ ও সমাজদার শ্রোতার সামনে তুলে ধরা রাগটির সম্পর্কে। আর একটি দিক হল যিনি রাগটি পরিবেশন করছেন সেই শিল্পীর সেই রাগ সম্পর্কে নিজের দৃঢ় আস্থা এবং শ্রোত্রী মন্ডলীকে নিজের সম্পর্কে ও রাগ সম্পর্কে জানানো। কারন শাস্ত্রীয় বা অন্য যেকোন সঙ্গীতের ক্ষেত্রি (বি ‘ষ করে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ক্ষেত্রে) শ্রোতারা একটা আসা বা বিশ্বাস নিয়ে আসেন যে যিনি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত পরিবেশন করছেন তার ভারতীয় উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের শাস্ত্রীয় দিক (তত্ত্ব) এবং ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের (ব্যবহারিক দিক) উভয় দিকের একটি সম্পূর্ণতা আছে যেটি শ্রোতাদের মানসিকতাকে আস্বস্থ করে। ফলে একথা বললেই হয় যে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের (রাগ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে) আলাপ-আলপ্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ Read More …

রবীন্দ্র-জীবনে সংঘাত

-শক্তি মণ্ডল রবীন্দ্রনাথের জীবন অতিবাহিত হয়েছিল অনেক দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের মধ্য দিয়ে। তিনি বারবার তাঁর সৃষ্টিকে ভেঙেছেন; নতুন করে গড়েছেন। গানের মধ্য দিয়ে বলেছেন,”আমার এ ধূপ না পোড়ালে গন্ধ কিছুই নাহি ঢালে”। পরিণত বয়সে নিজের কিশোর বয়সের কিছু কবিতা সম্পর্কে বলেছেন, “কুয়াশা যেমন বৃষ্টি নয় এরাও তেমনি কবিতা নয়।… সান্ধ্যসংগীতর কবিতা সেই জাতের।” অন্যদিকে নানা ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সংস্থার বিদ্রুপ বা বিরূপ আচরণ তাঁকে ক্ষতবিক্ষত করেছে। এরকম কয়েকটি বিষয় এখানে উল্লেখ করা হল। বিদগ্ধ পাঠকরা এর সঙ্গে আরও কিছু যোগ করতে পারেন- রবীন্দ্রনাথের একজন তীক্ষ্ণ সমালোচক ছিলেন স্বখ্যাত সাহিত্যিক দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। তিনি প্রায় ধারাবাহিকভাবে রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির বিরূপ সমালোচনা করে গেছেন।’চিত্রাঙ্গদা’ নাটকটি প্রকাশের প্রায ১৭ বছর পরেও ‘সাহিত্য’ পত্রিকায় (জৈষ্ঠ্য ১৩১৬) তিনি এতে অশ্লীলতার অভিযোগ এনে লেখেন,”..দ্বিধা নাই, সঙ্কোচ নাই,ধর্ম্ম নাই, কেবল নিত্য ভোগ,ভোগ; .. রবীন্দ্রবাবু এই পাপকে যেমন উজ্জ্বলবর্ণে চিত্রিত করিয়াছেন,তেমন বঙ্গদেশে আর কোনও কবি পারেন নাই। সেই জন্য এই কুকীর্তি আরও ভয়ঙ্কর।” দ্বিজেন্দ্রলাল ‘ধনধান্য পুষ্পভরা’ গানে লিখলেন ‘সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি’। Read More …

প্রসঙ্গ বিশ্ব নৃত্য দিবস

রাহুল দেব মণ্ডল (নৃত্যশিল্পী ও অধ্যাপক )    কলাতত্ব থেকে রসতত্ব ও সৃষ্টি তত্বের নান্দনিক আঙ্গিক প্রকাশ মাধ্যমের ভাবনাত্বক প্রয়োগীক উপস্থাপনা হল নৃত্য । আর এই নৃত্যকে বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণের লক্ষে  বিশ্ব নৃত্য দিবসের আয়োজন করা হয়েছে ২৯ শে এপ্রিল এই দিনটিকে । বিশ্বের ১৯৫ টি দেশ সরাসরি এই দিনটি বিশ্ব নৃত্য দিবস পালন করে ।     বিশ্ব নৃত্য দিবস প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গেলে প্রথমেই আমাদের দিনটির গুরুত্ত্বকে বুঝতে হবে । সুদূর প্যারিসের প্রত্যন্ত গ্রামে ১৭২৭ সালের ২৯ শে এপ্রিল জন- জর্জেস- নাভেরে জন্ম গ্রহন করেন —-এক মহান শিল্পী ফ্রেঞ্চ নৃত্যের বিশেষ পারদর্শী ছিলেন , এই মানুষটিকে বিশ্ব বরেণ্য ব্যালেট নৃত্যের প্রবাদ প্রতিম জনক বলাহয় , আর তারই জন্ম দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯৮২ সালে আন্তর্জাতিক থিয়েটার সংস্থা (আই টি আই)  র সহযোগিতায় ইউনেস্কো তাঁর প্রয়োগীক সৃজন শিল্পী সমন্বয় কমিটি এই দিনটিকে বিশ্ব নৃত্য দিবস হিসাবে ঘোষণা করে ।      প্রতিবছর ইউনেস্কো অন্তর্ভুক্ত দেশ গুলি এই দিনটি বিশ্ব নৃত্য দিবস হিসাবে উৎযাপন করে । প্রতিবছর এই দিনটি Read More …

শেষ দৃশ্য শুধু নিজের জন্য?-অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায়

আশির দশকের প্রথম পরিচিতি। তারপর নানা মুহর্তে একজোট হওয়া। আর শেষ লগ্নে ছবিতে অভিনয়। স্মৃতি। ঋতুপর্ণ ঘোষ প্রসঙ্গে অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায আশির দশকে কর্মসূত্রে আমাকে প্রায়ই যেতে হত ‘রেসপন্স’ নামের একটি বিজ্ঞাপন সংস্থায়। সেই সময় চোখে বড়াে ফ্রেমের চশমা, কোকড়ানো চুল, শ্যামলা দোহারা একটি অল্প বয়সী মানুষকে দেখতে অভি কমনীয়তার সঙ্গে অফিসের এদিক-ওদিক যাতায়াত করছে। চোখে পড়ার মতাে চেহারা না হলেও একটা হালকা সৌন্দর্য ছিল চেহারাটার মধ্যে। পরবর্তীকালে বুঝেছিলাম সেটা ওর নরম স্বভাবটার জন্য। সেই সময় ওর নামও জানতাম না বা ব্যক্তিগত পরিচয়ও ছিল না। এই বছরের জানুয়ারি মাস থেকে ঋতুপর্ণর সঙ্গে আমার আবার যােগাযােগ হয় আমার দীর্ঘ দিনের বন্ধু সুপণ্ডিত অধ্যাপক শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। সেই সময় ঋতুপর্ণ নিয়মিত রবীন্দ্রনাথ পড়তে যেতেন শিবাজীর কাছে। রবীন্দ্রনাথের পরিবার নিয়ে একটা ছবি করার পরিকল্পনা ছিল ওঁর, যার চিত্রনাট্য লিখছিলেন শিবাজী। এত দিন শিবাজীর বাড়ির আড়ার মধ্যমণি ছিলেন শিবাজী নিজেই, কিন্তু ঋতুপর্ণ আসার পর থেকে ওই কেন্দ্র হয়ে উঠলেন আজ্ডাটার। গত পয়লা বৈশাখের দিন আমি শিবাজীর বাড়ি গিয়েছিলাম, উদ্দেশ্য ছিল Read More …

Manna Dey & Hemanta Mukhopadhyay :

(An outward study on their styles and the cordiality they shared) SUBHADRAKALYAN Indian music would often be classicized by a social hierarchy. This particular restriction, though needless, inflicted a strong punishment upon Indian music, for which, it was kept limited within the practitioners of Indian Classical music. Music has been witnessing a different wave to set into it for quite a long time since the onset of the period, when musicians would find it relevant to influence Indian music with Western inputs. However, the sole objective of these musicians was to reach out to a larger mass as music would be kept limited within a particular periphery of audience by the traditional classical musicians of the country. The most fruitful example of such an experimentation originated from Bengal with Rabindranath Tagore. Eventually, a handful of Bengalee musicians started moving to the different parts of the country, especially to the Western part of the country, more Read More …