কলকাতার শাস্ত্রীয় সঙ্গীত চর্চা
বিশ্বজিৎ নন্দী কলকাতা আমাদের প্রাণের শহর। বর্তমান ভারতের তথা সমগ্র বিশ্বের সংস্কৃতিচর্গর অন্যতম গীঠস্থান। আজকের কলকাতার এই সাংস্কৃতিক অবস্থান বহু বছরের নিরলস অধ্যাবসায়, পদ্ধতিগত তথা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে শিক্ষাগ্রহণ চর্চ এবং তার বুদ্ধিদীপ্ত প্রয়োগ মাধূর্যের ফলেই সম্ভব হয়েছে। নান্দনিকতার উৎকৃষ্টতম অবস্থানে অনায়াস বিচরণকারী শিল্পীদের সিংহভাগ কলকাতা কেন্দ্রীক। নদী কেন্দ্রিক এই শহরের সূচনাপর্ব সপ্তদশ শতাব্দীতে। ধীরে ধীরে কলেবর বৃদ্ধি হতে আনাগোনা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছিল। মূলত বাণিজ্যকেন্দ্রিক এই শহরের ধনবান ব্যক্তিরা ব্যবসা বাণিজ্য ইত্যাদির ভ্রমোনতির সাথে সাথে বিনোদন-এর দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছিল। ইতিপূর্বে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত বিনোদনের গণ্ডী মূলতঃ রাজা বাদশার দরবারেই সীমাবদ্ধ ছিল। সাধারণ মানুষেরা বিভিন্ন গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়গত সঙ্গীত ও নৃত্যচর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছিল নিজেদের। আখড়াই, পাঁচালি, তরজা, খেউড়, কবিগান, কীর্তন এইসবই বিক্ষিপ্তভাবে তখনকার সমাজে বিনোদনের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হত। যখন ইংরেজ আধিপত্য বৃদ্ধি পেতে শুরু করল। দেশীয় রাজা বাদশা, নবাবদের প্রতিপত্তি কমতে শুরু করেছে। উত্তর ভারতের বিভিন্ন রাজ্য তথা নবাব বাদশাদের দরবারে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের যে প্রচলন বা চর্চা ছিল তা Read More …