বর্ধমান এর সঙ্গীত চর্চা – সেকাল ও একাল
ড স্বপ্নদীপা গান্ধী সারসংক্ষেপ : বর্ধমান প্রাচীন ঐতিহাসিক জেলা, যার ধর্ম , সাহিত্যচর্চা, স্থাপত্য, ভাস্কর্য, বাণিজ্য রীতি ইত্যাদি নানান দিকে সমৃদ্ধ। ১৮ শতক থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত বর্ধমানের সংগীত চর্চার ইতিহাসে শাক্ত ও বৈষ্ণব সংগীত থেকে শুরু করে লোকসংগীত রচনা করারও সূত্র পাওয়া গেছে এই সংগীত ঐতিহ্য বর্ধমানের সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে। সূচক শব্দ : বর্ধমান জেলা, সংগীত, সংগীত রচয়িতা, সমাজ ভুমিকা: বর্ধমান জেলা পশ্চিমবঙ্গের একটি প্রাচীন ও সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ অঞ্চল, যার ইতিহাস প্রাগৈতিহাসিক যুগ পর্যন্ত বিস্তৃত। এই জেলার নাম ও ঐতিহ্য জৈন, হিন্দু ও আর্য সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গঠিত। শ্রীচৈতন্যের সন্ন্যাস, শাক্ত সাধনা, নদীবাণিজ্য ও বৈষ্ণব চর্চার কেন্দ্রস্থল হওয়ায় কালনা, কাটোয়া, মঙ্গলকোট প্রভৃতি স্থানগুলি ধর্ম ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বহন করে। মধ্যযুগ থেকে উনিশ শতক পর্যন্ত এই অঞ্চলে বাংলা সাহিত্যের বহু খ্যাতিমান কবি ও লেখক জন্মগ্রহণ করেন, যাঁদের মধ্যে মালাধর বসু, কমলাকান্ত, দাশরথী রায় উল্লেখযোগ্য। সংগীতের ক্ষেত্রেও বর্ধমান ছিল সমান গুরুত্বপূর্ণ—রঘুনাথ রায়ের খেয়াল গান থেকে শুরু করে লোকজ বোলান গান সবই এখানকার ঐতিহ্যের অংশ। Read More …