শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বিশ্বায়নের প্রভাব
ফতিমা আক্তার বিশ্বায়ন শব্দটি বিংশ শতকের ছয় এর দশক থেকে বেশি করে শোনা যেত। কিন্তু বিংশ শতকের শেষের দিকে যে বিশ্বায়ন হয়েছে তা একদিকে যেমন অর্থনৈতিক বিশ্বায়ন অন্যদিকে তেমনি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বিশ্বায়নও বটে। বিশ্বায়নের উদ্দেশ্য হল বিশ্বের যা কিছু সম্পদ, শিক্ষা, অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ইত্যাদি সবকিছুই বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের মানুষের কাছে সহজলভ্য করে তোলা। যদিও বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে এর অনেক মিল এবং অমিল রয়েছে। তথাপি বিশ্বায়নের ফলে পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিশেষ করে বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বেড়েছে অনেক বেশি। যেটাকে বিশ্বায়ন বলা হচ্ছে। এখানে বিশ্বায়ন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার অবকাশ নেই। আমি এখানে মূলত সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিশ্বায়নের প্রভাব এবং সঙ্গীত কিভাবে বিশ্বায়নের ফলে সাধারণ বা প্রত্যন্ত অঞ্চলের কাছে সহজলভ্য হয়েছে ও সমাজে তার কি ধরনের প্রতিফলন আমরা লক্ষ্য করছি এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করতে চলেছি। ১৮৯৮ সালে অবিভক্ত বাংলার কলকাতায় আসে গ্রামোফোন। গ্রামোফোনের মাধ্যমে আরো সহজ হয় গানকে ধরে রাখার। গানকে বারবার শোনার মাধ্যমে গান শেখা আরো সহজ হয়ে Read More …