হিন্দুস্তানী যন্ত্রসংগীতের বিবর্তন
ড.মৃন্ময় রায় ‘সংগীত ও সংগীতের বাদ্যযন্ত্র এত সুক্ষ্ম ও স্বতন্ত্র হয়ে গেছে যে জীবনের সাধারণ কাজকর্মে তাদের আদিরূপের সন্ধান করতে গেলে কোনো নিশ্চিৎ সন্ধান মেলে না-তাদের বর্তমান রূপগুলিই মেনে নিতে হয়। বাদ্য যন্ত্রের সাথে সংগীতের সম্বন্ধ এবং সামগ্রিকভাবে সামাজিক অগ্রগতিতে এই সম্পর্কগুলি বিশ্লেষণ করলে দেখতে পাই-তন্ত্র বাদ্যযন্ত্রের আদি উৎসমূলে ছিল সংগীত বহির্ভূত ক্রিয়াকলাপ। সংগীত শব্দটি রামায়ণে প্রথম কিস্কিন্ধ্যা কাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে এবং তার বহু পরে মকরন্দকার নারদ ও শারঙ্গদেব ব্যবহার করেছেন-এই শব্দটি। তবে বৈদিক যুগ ও প্রাচীন যুগে গীত বাদ্যাদি চর্চা বোঝাবার জন্য এককথায় সংগীত কথাটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন বৈদিক সংগীত, গান্ধর্বামার্গ সংগীত, দেশী সংগীত, বর্তমানে রাগ সংগীত ইত্যাদি, অর্থাৎ এক কথায় ‘সংগীত’ ও ‘মিউজিক সমার্থক। বৈদিক যুগে বিভিন্নরকমের বীণার উল্লেখ ছিল। বেদে বাণ বা বীণার উল্লেখ পাওয়া যায়। সাম কেদই সকল গান বা সংগীত সৃষ্টির আদি উৎসকেন্দ্র। বৈদিক যুগে গানের সঙ্গে নৃত্য ও বাদ্য থাকত। বৈদিক সাহিত্যে তথা সংহিতায়, বাহ্মণে, আরণ্যক ও উপনিষদে, ধর্ম, শ্রৌত ও কর সূক্তে, শিক্ষায় প্রাতিশাখো আত্যুদায়িক ও আভিচারিক Read More …