Gender identity and social status through the performance: Nupa Amaibis and Nupi Amaibis of Manipur -Vandana Wahengbam

Gender Identity and Social Status through the Performance pdf Research Scholar, Manipuri Dance, Sangit Bhavan, Visva Bharati, Santiniketan, West Bengal, India Abstract: The paper delves into the rich spiritual tradition of the Amaibis, the shamans of Manipur with special emphasis on the compelling presence of the Nupa Amaibis, a figure that offers a transformative perspective on gender and ritual performance in Meitei society. Unlike the exclusively male role of the Amaiba, the Amaibi tradition is marked by its inclusively, embracing both Nupa Amaibis (male bodied shaman who embody feminine role) and Nupi Amaibis (female bodied shamans). This framework underscores deeply embedded gender fluidity within the ritual ethos of Lai haraoba, a festival that celebrates the mythic origins and spiritual cosmology of the Meitei people. The Nupa Amaibi, in the context not only fulfills sacred duties but also embodies the idea of gender as a sacred and performative construct resonating with contemporary gender Read More …

Aranyasanskriti : Tagore’s rendition of the original ancient Indian concept of ecological, cultural & socio- economic symbiosis – Debjani Chatterjee,

Dance Practitioner-Researcher, Artistic head, Prabaha Kalabhoomi, Kolkata Faculty, Dept of Zoology, JCC College ABSTRACT Nature inspires ‘music, art, and aesthetics in human soul’, in the absence of which the soul is denied nourishment and remains neglected and starved. Indian civilization has been characteristic in locating its source of regeneration- both material and intellectual, in the forest and not the city. From ancient times, man has always been in communion with trees and rivers and lakes, away from the crowds. Our ancient scriptures remind us that the peace of the forest has helped the evolution of man…and hence Environmental conservation has always been an integral part of Indian culture. In representing our environment, literature plays a very important role and is indeed a very real reflection of modern-day society. ‘Eco-criticism’ is the term that pertains to the association between literature and the environment. Basically, it is the analysis of depictions of Read More …

রবীন্দ্র নৃত্যনাট্যে নারী চরিত্র : একটি দার্শনিক বিশ্লেষণ – অন্বেষা মুস্তাফী

  সারসংক্ষেপ: বিশ্বব্রহ্মান্ডের এক অতুলনীয় সৃষ্টি হল নারী। কবি মানসে নারী সর্বদাই কোমলতার রূপ, সৌন্দর্য্যের আধার। কিন্তু কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চোখে নারীর অন্যরূপ ধরা পড়েছে। নারী চরিত্রের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম দিকগুলি তিনি তাঁর সাহিত্যে, কাব্যে, নাটকে ফুটিয়ে তুলেছেন সুনিপুণ হস্তে। রবীন্দ্রনৃত্যনাট্যেও তার অন্যথা ঘটেনি। ‘শাপমোচন’ থেকে শুরু করে ‘চিত্রাঙ্গদা’, ‘চন্ডালিকা’, ‘শ্যামা’ প্রতিটি নৃত্যনাট্য কালক্রমে যেমন অনেক পরিণত ও বলিষ্ঠ, তাদের চরিত্রায়ণ তেমনই অভিনব। বিশেষ করে, নারী চরিত্রগুলিকে রবীন্দ্রনাথ দিয়েছেন অতুলনীয় রূপ। উল্লেখ্য , ‘শাপমোচন’ ছাড়া ‘চিত্রাঙ্গদা’, ‘চন্ডালিকা’ ও ‘শ্যামা’ নৃত্যনাট্যের নামকরণ মুখ্য নারী চরিত্রের নামানুসারেই হয়েছে। তাঁর সৃষ্ট নারী চরিত্রগুলিতে কোথাও স্বৈরিনী নারীর চিত্র পাই, কোথাও পাই এক সমাজচ্যুত নারীর বৈষম্যের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াবার লড়াই, কোথাও অনিশ্চয়তার অন্ধকারে নারীর অস্তিত্ব সংকট আবার কোথাও পাই নারীর নিজের ও প্রেমাষ্পদের অন্তরের সন্ধান। রবীন্দ্র নৃত্যনাট্যে নারী চরিত্রগুলির মধ্যে আসলে কত গভীর দর্শন লুকিয়ে আছে তা আমাদের সর্বদাই বিস্মিত করে। এই প্রবন্ধের মাধ্যমে রবীন্দ্র নৃত্যনাট্যে নারী চরিত্রের মর্মার্থ ও দর্শন উপস্থাপিত হল। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে Read More …

Rabindranath’s religious consciousness – Dr. Srabani Sen

Associate Professor, Department of Music, Tarakeswar Degree College e-mail-dr.ssen8693 @gmail.com Mobile no- 6290855102 Tagore’s religion was rooted in the human spirit. He belived that true religion involved realizing one’s own true nature and its connection to the universal consciousness. His multifaceted personality was evolved by the influence of Upanishads, Bramha Samaj, Bhagabat Gita, Buddhism etc. He was against religious institution and religious practice. According to Rabindranath true religion is a rhythm of life, joy, action and existence. রবীন্দ্রনাথের ধর্মচেতনা রবীন্দ্রনাথের ধর্মজীবন ও ধর্মদর্শনের প্রধান লক্ষ্য হল উপনিষদের আদর্শে এক অর্নিবচনীয় অখণ্ড আনন্দময় সত্তার মধ্যেই মানজীবনকে প্রতিষ্ঠিত করা। রবীন্দ্রনাথ তাঁর ধর্মচেতনার স্বরূপ ব্যাখ্যায় কবির ধর্ম, স্রষ্টার প্রকাশধর্মের সংকীর্ণতায় আবদ্ধ না থেকে সত্যের রসলোকে উত্তীর্ণ হওয়াকে ধর্ম বলেছেন। অর্থাৎ ‘মানবধর্ম’কেই তিনি স্বীকৃতি জানিয়েছেন। বলা যায় রবীন্দ্রনাথের ধর্মদর্শন তিনটি স্বতন্ত্র ধারায় সম্বন্বিত – বেঙ্গল রেনেসাঁ, মধ্যযুগীয় সমন্বয়ী বৈষ্ণববাদ ও সুফীবাদ আর বাংলার বাউল সম্প্রদায়ের জীবনধারা। এছাড়াও পাশ্চাত্যের ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদও তাঁকে আন্দোলিত করেছিল। রবীন্দ্রনাথ Read More …

The Gharanas of Kathak and its Historical Development – Joysree Biswas

Abstract   Kathak, one of India’s eight classical dance forms, has evolved through centuries, influenced by diverse cultural, religious, and socio-political movements. This paper examines the historical development of Kathak, tracing its transformation from a form of devotional storytelling in Hindu temples to a refined courtly art under Mughal patronage. The influence of the Bhakti movement and Sufism played a crucial role in shaping Kathak’s narrative depth, emphasizing its spiritual and expressive qualities. A key aspect of Kathak’s evolution is the emergence of distinct Gharanas, or stylistic schools, which reflect regional and historical influences. The study explores the four majors Gharanas—Lucknow, Jaipur, Benares, and Raigarh—each characterized by unique artistic techniques, rhythmic structures, and performance styles. These traditions, shaped by their respective socio-political contexts, contributed to Kathak’s rich and diverse heritage. The paper further investigates the shifting patronage of Kathak, detailing its decline during British rule when many traditional art forms Read More …

এসেছ প্রেম, এসেছ আজ কী মহাসমারোহে -শুভাশিস চৌধুরী

নাটক রক্ত করবী অবলম্বনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত “রক্তকরবী”নাটকে মোহ আভরণে ঢাকা রয়েছে মূল প্রেমিক চরিত্র রঞ্জন।যাকে ভালোবেসে প্রাণ দিতে প্রস্তুত নন্দিনী।আর এই নন্দিনীকে পেতে আকুল যক্ষপুরের রাজা। যেই রঞ্জনকে আমরা মঞ্চে দেখতে পাই না,শুধু তার দু একটি সংলাপ শুনি,তা ও অন্য চরিত্রের মুখে,সেই চরিত্রই‌ রাজার সামনে কাল্পনিক ভাবে উপস্থিত হলে কী বলতে পারে তাই নিয়েই এই ভাবনা- “এসেছ প্রেম, এসেছ আজ কী মহাসমারোহে” রঞ্জন:- সকল গর্ব দূর করি দিব,তোমার গর্ব ছাড়িব না।(গান গাইতে গাইতে চলে) রাজা- ও কে যায়! রঞ্জন না!না না এ হতে পারে না।আমার সমস্ত অহংকার গর্ব আকাঙ্খা এই সামান্য একটা লোকের কাছে হেরে যেতে পারে না।কিছুতেই না।কে?কে যাও এই পথ বেয়ে। রঞ্জন? রঞ্জন-হ্যাঁ গো ঠিক ধরেছো।আমি সেই রঞ্জন।ঈশানী পাড়ার সেই মেয়েটি! যাকে পেতে তুমি আকুল! আমি তার পরম ধন। রাজা-রঞ্জন!তুমি জানো ?আমি নন্দিনকে – রঞ্জন-জানি, জানি, তুমি ওকে পেতে পাগল।ওর জন্য তুমি ফাঁদ পেতেছো এই যক্ষ ভুবন জুড়ে। রাজা-সব জান?সব জেনেও তুমি ঐ মরনপথ ধরে হেঁটে চলেছো?তুমি Read More …

পণ্ডিত জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ : কলকাতায় তবলার নবজাগরণের পথিকৃত – অপূর্ব বিশ্বাস

সারাংশ (Abstract):পণ্ডিত জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ (১৯০৯–১৯৯৭) ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের জগতে এক বিশিষ্ট তবলাবাদক, শিক্ষক, সুরকার, গবেষক ও সাংস্কৃতিক দূত হিসেবে সুপরিচিত। তাঁর সৃজনশীল প্রচেষ্টা এবং গুরুশিষ্য পরম্পরার মাধ্যমে কলকাতায় তবলার এক নবজাগরণের সূচনা হয়। তিনি ফরুকাবাদ, লখনউ এবং পাঞ্জাব ঘরানার শৈলীসমূহকে একত্রিত করে এক নতুন বাদনরীতি গঠন করেন, যা তবলার একক পরিবেশনায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। তবলাকে তিনি সঙ্গত যন্ত্রের গণ্ডি থেকে তুলে এনে একক বাদ্যযন্ত্ররূপে প্রতিষ্ঠা করেন। অল ইন্ডিয়া রেডিও এবং দূরদর্শনে সংগীত পরিচালক হিসেবে তাঁর অবদান তবলাকে প্রধান স্রোতের সঙ্গীতে এক অনন্য স্থান দিয়েছে। তাঁর শিষ্যগণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে তবলার ঐতিহ্যকে বহন করেছেন। “তাহজিব-এ-মৌসিকি” নামক গ্রন্থে তিনি তবলা ও ভারতীয় সঙ্গীতের ঐতিহ্য নিয়ে গবেষণা করেছেন। পণ্ডিত জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষের কর্মজীবন কলকাতাকে তবলার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে গড়ে তুলতে অসামান্য ভূমিকা পালন করেছে। মূল শব্দ (Key Words):পণ্ডিত জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ, তবলা, কলকাতা, একক তবলা পরিবেশনা, গুরুশিষ্য পরম্পরা, তবলা ঘরানা, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, সুরকার, সঙ্গীত গবেষক, অল ইন্ডিয়া রেডিও, সাংস্কৃতিক দূত, তাহজিব-এ-মৌসিকি। জ্ঞানবাবু একজন Read More …

রবীন্দ্রনাথের নৃত্যনাট্যে প্রাচীন ভারতীয় নাট্যতত্ত্বের প্রতিফলন – উদয় কর্মকার

সারসংক্ষেপ (Abstract in Bengali):রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নৃত্যনাট্যসমূহ যেমন চণ্ডালিকা, শ্যামা, ও চিত্রাঙ্গদা—এই সব কৃতিতে প্রাচীন ভারতীয় নাট্যতত্ত্বের সুস্পষ্ট প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। ভারতীয় নাট্যশাস্ত্র, বিশেষত ভরতমুনির নাট্যশাস্ত্র, আবহমান কাল ধরে শিল্পকলার নানা ধারাকে প্রভাবিত করেছে। রবীন্দ্রনাথ এই তাত্ত্বিক ভিত্তিকে আধুনিক রূপ দিয়েছেন তাঁর নৃত্যনাট্যে। রস, ভাব, অঙ্গিক, সাত্ত্বিক ও বাচিক অভিনয়প্রকরণ, সংগীত ও নৃত্যের সম্মিলনে নির্মিত তাঁর কাব্যনাট্যগুলি প্রাচীন নাট্যতত্ত্বের রূপরেখাকে ধারণ করে সমকালীন ও মানবিক আবেগকে প্রকাশ করেছে। এই প্রবন্ধে আলোচিত হয়েছে, কীভাবে রবীন্দ্রনাথ তাঁর নৃত্যনাট্যে প্রাচীন নাট্যতত্ত্বের মৌলিক উপাদানসমূহ গ্রহণ করে, সেগুলিকে সময়োপযোগী করে রূপান্তরিত করেছেন এবং এক নতুন নাট্যভাষার সৃষ্টি করেছেন। এর ফলে তাঁর কাব্যনাট্যগুলি হয়ে উঠেছে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার এক সার্থক সংমিশ্রণ। সূচক শব্দ (Key Words in Bengali):রবীন্দ্রনাথ, নৃত্যনাট্য, ভারতীয় নাট্যতত্ত্ব, নাট্যশাস্ত্র, রসতত্ত্ব, ভাব, অভিনয়, ভরত, চণ্ডালিকা, শ্যামা, নৃত্যনাট্যচর্চা। ভারতীয় সংস্কৃতির ইতিহাসে “নাট্য” একটি অন্যতম মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্পরূপ। ভরতমুনিররচিত নাট্যশাস্ত্র হলো এই ধারার প্রাচীনতম ও প্রামাণ্য গ্রন্থ, যা নাট্য সংগীত ও নৃত্যের একটি পূর্ণাঙ্গ তত্ত্ব প্রদান করে। Read More …

কর্মের আনন্দযজ্ঞে রবীন্দ্রনাথ – ঋদ্ধি পান

গবেষক, বাংলা বিভাগ, ডায়মন্ডহারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় চিঠিপত্র অষ্টম খণ্ডে রবীন্দ্রনাথের লেখা একটি চিঠি থেকে জানা যায় — “দেনা যে ক্রমে কত বেড়ে যাচ্ছে সে বলতে পারি নে। এদিকে আমাদের মাসহারা বহুকাল থেকে অর্দ্ধেক বন্ধ হয়ে আছে, কি করে যে শুধ্‌ব ভেবে পাই নে। আমার বয়সে আমি কখনো এমন ঋণগ্রস্ত এবং বিপদগ্রস্ত হইনি।” পতিসরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যাংক স্থাপনের প্রসঙ্গটি এই চিঠিকে ঘিরে রয়েছে। এটি তাঁর অনন্য কীর্তি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিত্বের তথাকথিত সাহিত্যিকের মর্যাদা বোধ ঘুচিয়ে অন্য আরেক রবীন্দ্রনাথকে যখন চিনব তখন চলে আসবে তাঁর জমিদারি ব্যবস্থার নানা সংকল্প। কর্মের এই রবীন্দ্রনাথ পাঠকের কাছে বেশ দুর্লভ। ‘পল্লীপ্রকৃতি’তে রবীন্দ্রনাথ নিজেই লিখেছেন — “আজ আপনারা কবি রবীন্দ্রনাথকে নয়, তার কর্মের অনুষ্ঠানকে প্রত্যক্ষ করুন, দেখে লিখুন, সকলকে জানিয়ে দিন কত বড় দুঃসাধ্য কাজের ভেতরে আমাকে জড়িয়ে ফেলতে হয়েছে।” জমিদারী দায়িত্ব পালনের সময় থেকেই তাঁর এই কর্মের সাধনা শুরু। এক্ষেত্রে শিলাইদহ পর্বটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই শিলাইদহ পর্বেই তিনি গ্রামের মানুষের কাছাকাছি আসেন এবং তাদের নানা Read More …

রবীন্দ্রসংগীতে বিষ্ণুপুরী ঘরানার গায়কীর প্রভাব – নাঈমা পারভীন 

জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির প্রায় পাঁচ পুরুষের যে সংগীত চর্চার ব্যপ্তি ও ইতিহাস আছে তার এক গুরুত্বপূর্ণ নাম হলো রবীন্দ্রনাথ। ঠাকুরবাড়ির সংগীতরসিকরা যে শুধু কাব্যরসেই মজে ছিলেন তা নয় তারা শাস্ত্রীয় সংগীত বা রাগসংগীত ও গায়ন শৈলীর দিকেও বিশেষ নজর রেখেছিলেন তারই নিদর্শন হলো ঠাকুরবাড়িতে বিষ্ণুপুর ঘরানার চর্চা। যে ঘরানার গায়ন শৈলীর প্রভাব রবীন্দ্রনাথ সহ ঠাকুরবাড়ির অনেক সঙ্গীতরচয়িতার গানে পাওয়া যায়।বিষ্ণুপুর গুরু শিষ্য পরম্পরায় জোড়াসাঁকো ও রবীন্দ্রনাথের নামটি খুবই আলোচিত। কোন ঘরানার সংগীতের গায়ন কৌশল ও কন্ঠ চর্চা কেমন হবে ও কন্ঠের বৈশিষ্ট্য কেমন হওয়া উচিত এসব কিছু নির্ভর করে ওই ঘরানার কোথায় অবস্থিত, সংস্কৃতি কেমন, চিন্তাধারা, ঐতিহ্য এবং সর্বোপরী তাদের কন্ঠচর্চার ধরন। ধ্রুপদ সংগীত ইতিহাসে “বিষ্ণুপুর ঘরানা’ এমন একটি নাম যা প্রায় দুশো বছর পুরোনো সংগীত রীতি হিসেবে পরিচিত এবং অন্য ঘরানা থেকে  স্বতন্ত্র ও নিজস্ব রীতি হিসেবে ভারতীয় উচ্চাংগ সংগীত ইতিহাসে উল্লেখিত। কথিত আছে যে, বিষ্ণুপুরের রাজা দ্বিতীয় রঘুনাথের আমন্ত্রণে অষ্টাদশ শতকে সেণী ঘরানার বাহাদুর খাঁ ও পীর বকস বিষ্ণুপুরের Read More …