বর্তমান সময়ে বঙ্গে মণিপুরী নৃত্যচর্চার অবস্থান : সমস্যা ও বিশ্লেষণ – তন্ময় পাল

গবেষক, মণিপুরি নৃত্য রবীন্দ্রসঙ্গীত, নৃত্য ও নাটক বিভাগ, সঙ্গীত ভবন, বিশ্বভারতী ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের মধ্যে অন্যতম একটি শাস্ত্রীয় নৃত্য হল মণিপুরী নৃত্য যার জন্ম উত্তর- পূর্ব ভারতের একটি ছোট্ট রাজ্য মণিপুরে। শাস্ত্রীয় মণিপুরী নৃত্যের সৃষ্টি হওয়ার পিছনে যে দুটি প্রধান উপাদান কাজ করেছিল তার প্রথমটি হল ধর্ম এবং হল দ্বিতীয়টি সাহিত্য এই দুটি ক্ষেত্রেই পশ্চিমবঙ্গ তথা বাংলার অবদান অনস্বীকার্য। গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মের মণিপুরে আগমনের পর মৈতৈ১ সংস্কৃতিতে আমূল পরিবর্তন এসেছিল, যুক্ত হয়েছিল দুটি প্রধান বিষয় রাসলীলা ও সংকীর্তন, যা ভারতীয় সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদান রেখেছে। একটা সময় পর্যন্ত মণিপুরী নৃত্য শুধুমাত্র ভক্তি বা উপাসনার অঙ্গ হিসাবে পরিবেশিত হয়ে এসেছে তা কোন অর্থে বিনোদনের জন্য ছিল না। যদিও ভারতীয় সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিন্তু ভারতের মূল ভূখণ্ডের সাথে বেশ কিছুটা দূরত্বে অবস্থানের জন্য ভারতের বাকি অংশ তথা বিশ্বের মানুষের কাছে মণিপুরী নৃত্য মণিপুরী সংস্কৃতি বহুল প্রচলিত ছিল না। পরবর্তীতে গুরুদেব শ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরে মণিপুরী নৃত্য বিশ্ব দরবারে পৌঁছায়। এক্ষেত্রে বিশেষ অবদান ছিল শ্রী উদয়শঙ্কর ও Read More …

বাঙ্গালার ইতিহাস -ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

প্রথম অধ্যায়: ১৭৫৬ খৃষ্টীয় অব্দের ১০ ই এপ্রিল, সিরাজউদ্দৌলা বাঙ্গালা ও বিহারের সিংহাসনে অধিরূঢ় হইলেন। তৎকালে দিল্লীর সম্রাট্ এমত দুরবস্থায় পড়িয়ছিলেন যে নূতন নবাব আর তাহার নিকট সনন্দ প্রার্থনা করা আবশ্যক বোধ করিলেন না।  তিনি, রাজ্যাধিকার প্রাপ্ত হইয়া, প্রথমতঃ আপন পিতৃব্যপত্নীর সমুদায় সম্পত্তি হরণ করিবার নিমিত্ত, সৈন্য প্রেরণ করেন। তাঁহার পিতৃব্য নিবাইশ মহমদ, ষোল বৎসর ঢাকার রাজত্ব করিয়া, অপরিমিত অর্থ সঞ্চয় করিয়াছিলেন। পরে, তিনি লোকান্তর প্রাপ্ত হইলে, তাঁহার পত্নী তদীয় সমস্ত ধনের উত্তরাধিকারিণী হয়েন। ঐ বিধবা নারী, আপন সম্পত্তি রক্ষার নিমিত্ত, যে সৈন্য রাখিয়াছিলেন তাহারা কার্য্য কালে পলায়ন করিল। সুতরাং উহার সমুদায় ঐশ্বর্য্য নির্ব্বিবাদে নবাবের প্রাসাদে প্রেরিত হইল; এবং তিনিও সহজেই আপন বাসস্থান হইতে বহিষ্কৃতা হইলেন।  রাজবল্লভ ঢাকায় নিবাইশ মহমদের সহকারী ছিলেন এবং, যবন রাজাদিগের অধিকার সময়ের প্রথা অনুসারে, প্রজার সর্ব্বনাশ করিয়া অনেক ধন সঞ্চয় কবেন। তিনি ঐ সময়ে মুরশিদাবাদে উপস্থিত থাকাতে, সিরাজউদ্দৌলা, তাঁহাকে কারাগারে বদ্ধ করিয়া, তদীয় সমুদায় সম্পত্তি রুদ্ধ করিবার নিমিত্ত ঢাকায় লোক প্রেরণ করিলেন। কিন্তু রাজবল্লভের পুত্র কৃষ্ণদাস, অগ্রে ঐ সংবাদ জানিতে পারিয়া, Read More …

শিল্পে অনধিকার-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  আজ থেকে প্রায় ১৫ বৎসর আগে আমার গুরু আর আমি দুজনে মিলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কোণে শিল্পের একটা খেলাঘর কল্পনা করেছিলেম। আজ এইখানে যাঁরা আমার গুরুজন ও নমস্য এবং যাঁরা আমার সুহৃদ্ এবং আদরণীয়, তাঁরা মিলে আমার কল্পনার জিনিষকে রূপ দিয়ে যথার্থই আমায় চিরদিনের মতো কৃতজ্ঞতার ঋণে আবদ্ধ করেছেন। আমার কতকালের স্বপ্ন সত্য হয়ে উঠেছে—আজ সন্ধ্যায়। কেবল সেদিনের কল্পনার সঙ্গে আজকের সত্যিকার জিনিষটার মধ্যে একটি বিষয়ে অমিল দেখ্‌ছি—সেটা এই সভায় আমার স্থান নিয়ে। সেদিন ছিলেম আমি দর্শকের মধ্যে,—প্রদর্শক কিম্বা বক্তার আসনে নয়। তাই এক-একবার মনে হচ্ছে আজকেরটাই বুঝি দরিদ্রের স্বপ্নের মতো একটা ঘটনা—হঠাৎ মিলিয়ে যেতেও পারে।  কিন্তু স্বপ্নই হোক্ আর সত্যই হোক্, এরি আনন্দ আমাকে নূতন উৎসাহে দিনের পর দিন কাজ করতে চালিয়ে নেবে—যতক্ষণ আমার কাজ করার এবং বক্তৃতা দেবার শক্তি থাকবে। যোগ সাধন করতে হয় শুনেছি চোখ বুজে, শ্বাসপ্রশ্বাস দমন করে; কিন্তু শিল্প-সাধনার প্রকার অন্য প্রকার—চোখ খুলেই রাখতে হয়, প্রাণকে জাগ্রত রাখতে হয়, মনকে পিঞ্জর-খোলা পাখীর মতো মুক্তি দিতে হয়—কল্পনা-লোকে ও বাস্তব-জগতে সুখে বিচরণ Read More …

জাতি ভেদ -শিবনাথ শাস্ত্রী

কিরূপে জাতিভেদ প্রথার সৃষ্টি হইল? ইহার প্রমাণ সকল আমরা কোথা হইতে সংগ্রহ করিব? যাহাকে বিশ্বাসযোগ্য ইতিহাস বলে, যাহাতে অতীতকালের ইতিবৃত্ত যথাযথরূপে বর্ণিত হইয়াছে, সংস্কৃত ভাষাতে এরূপ গ্রন্থ বিরল; যে কিছু ইতিবৃত্তমূলক গ্রন্থ আছে, তাহাও কবির কল্পনা দূষিত; সে সকলকে অতীতের ইতিবৃত্ত বলিয়া গ্রহণ করা দুষ্কর। এরূপ স্থলে উপায় কি? আমরা একটু চিন্তা করিলেই দেখিতে পাইব যে একটী জাতির সাহিত্য, কাব্য, নাটক, ধর্ম্মশাস্ত্র, পুরাণ প্রভৃতি যদি পাওয়া যায় এবং ঐ সকল গ্রন্থের কাল নির্ণয় যদি কোন প্রকারে করিতে পারা যায়, তাহা হইলে আমরা বহুল পরিমাণে উক্ত জাতির সামাজিক ইতিবৃত্ত নির্ণয় করিতে পারি। মনে করুন বেদের কোন স্থানে যদি এরূপ একটী স্তুতি দেখি—হে ইন্দ্র! তুমি ত্বরায় তোমার উপাসকগণের নিকট এস, বণিক সমুদ্রে পোত প্রেরণ করিয়া যেরূপ উৎসুক অন্তরে অপেক্ষা করে, আমরাও সেইরূপ তোমার জন্য উৎকণ্ঠিত চিত্তে অপেক্ষা করিতেছি। এতদ্দ্বারা কি এরূপ অনুমান করা যায় না যে, যে সময়ে বেদের উক্ত সূক্তটী রচিত হইয়াছিল যে সময়ে নিশ্চয় বাণিজ্যার্থ সমুদ্রে গমনাগমন হইত ? এইরূপে জাতিভেদ প্রথার আদি নির্ণয়ের জন্যও আমাদিগকে Read More …

বিলাসের ফাঁস-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  ইংরেজ আত্মপরিতৃপ্তির জন্য পূর্বের চেয়ে অনেক বেশি খরচ করিতেছে, ইহা লইয়া ইংরেজি কাগজে আলোচনা দেখা যাইতেছে। এ কথা তাহাদের অনেকেই বলিতেছে যে, বেতনের ও মজুরির হার আজকাল উচ্চতর হইলেও তাহাদের জীবনযাত্রা এখনকার দিনে পূর্বের চেয়ে অনেক বেশি দুরূহ হইয়াছে। কেবল যে তাহাদের ভোগস্পৃহা বাড়িয়াছে তাহা নহে, আড়ম্বরপ্রিয়তাও অতিরিক্ত হইয়া উঠিয়াছে। কেবলমাত্র ইংলণ্ড এবং ওয়েল্‌সে বৎসরে সাড়ে তিন লক্ষের অধিক লোক দেনা শোধ করিতে না পারায় আদালতে হাজির হয়। এই – সকল দেনার অধিকাংশই আড়ম্বরের ফল। পূর্বে অল্প আয়ের লোক সাজে সজ্জায় যত বেশি খরচ করিত, এখন তাহার চেয়ে অনেক বেশি করে। বিশেষত মেয়েদের পোশাকের দেনা শোধ করিতে গৃহস্থ ফতুর হইতেছে। যে – স্ত্রীলোক মুদির দোকানে কাজ করে, ছুটির দিনে তাহার কাপড় দেখিয়া তাহাকে আমীর – ঘরের মেয়ে বলিয়া ভ্রম হইয়াছে, এমন ঘটনা দুর্লভ নহে। বৃহৎ ভূসম্পত্তি হইতে যে – সকল ড্যুকের বিপুল আয় আছে, বহুব্যয়সাধ্য নিমন্ত্রণ – আমন্ত্রণে তাহাদেরও টানাটানি পড়িয়াছে, যাহাদের অল্প আয় তাহাদের তো কথাই নাই। ইহাতে লোকের বিবাহে অপ্রবৃত্তি হইয়া তাহার Read More …

কীটপতঙ্গের নৃত্য ও যন্ত্রসংগীত: একটি সঙ্গীততাত্বিক বিশ্লেষণ-দেবাশিস মণ্ডল

সংক্ষিপ্তসার কীটপতঙ্গ প্রকৃতির অন্যতম বিস্ময়কর শব্দ-সৃষ্টিকারী প্রাণী, যারা বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ছন্দবদ্ধ ও কাঠামোবদ্ধ শব্দ তৈরি করে। এখানে কীটপতঙ্গের শব্দ উৎপাদন প্রক্রিয়া, তার বিবর্তনমূলক গুরুত্ব এবং এর কার্যকরী ভূমিকা আলোচিত হয়েছে। কীটপতঙ্গরা প্রধানত ঘর্ষণ (Stridulation), টিম্বাল কম্পন (Tymbal Mechanism), ডানা স্পন্দন, মাটিতে আঘাত এবং স্থিতিস্থাপক কম্পনের মাধ্যমে শব্দ তৈরি করে। এই শব্দের মাধ্যমে তারা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে, সঙ্গী আকর্ষণ করে, নিজস্ব এলাকা চিহ্নিত করে এবং শত্রুর হাত থেকে আত্মরক্ষা করে। ঝিঁঝিঁ পোকা, সিকাডা ও মৌমাছির মতো কীটপতঙ্গের শব্দ উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই লেখাটি কীটপতঙ্গের সঙ্গীতের পরিবেশগত গুরুত্ব ও তাদের টিকে থাকার কৌশল তুলে ধরেছে। পাশাপাশি, কীটপতঙ্গের সুর ও মানুষের সঙ্গীতপ্রবণতার তুলনামূলক বিশ্লেষণও করা হয়েছে, যা জীবজগতের শব্দ ও ছন্দের সার্বজনীনতার প্রমাণ বহন করে। আলোচনার যে ফলাফল তাতে প্রাকৃতিক শব্দ পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরা হয়েছে। প্রকৃতির এই অনন্য প্রাণীগুলি বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংগঠিত ও ছন্দময় শব্দ উৎপন্ন করে, যেমন স্ট্রিডুলেশন (ঘর্ষণজনিত শব্দ), টিম্বাল কম্পন, পাখার স্পন্দন, স্তরভিত্তিক Read More …

প্রান্তজনের নবজাগরণ ও মতুয়া সমাজের উত্তোরণ ( ১৮৮০-১৯৯০ ) – টোটন বিশ্বাস

শিক্ষক-শিক্ষণ বিভাগ গোবরডাঙ্গা হিন্দু কলেজ নবজাগরণ হল চেতনা ও সংস্কৃতির উন্মেষ; শিক্ষা ও সামাজিক বিকাশ। মতুয়ারা সনাতন হিন্দু ধর্মের একটি সম্প্রদায়, যারা মূলত নমশূদ্র জাতি ভুক্ত এক প্রান্তিক জনসমাজ। এরা বৃহৎ বঙ্গের অধিবাসী। মতুয়া ধর্মের প্রবর্তক হরিচাঁদ ঠাকুর ও তার অনুসারীরা সংস্কার আন্দোলনের সূচনা করেছিল; ক্রমে গুরুচাঁদ ঠাকুর ও প্রান্তিক নমঃশূদ্ররা তথা মতুয়া সমাজ নিজেদের অধিকার বুঝে নিতে সংস্কার আন্দোলনে সামিল হয়েছিল। মতুয়া আন্দোলন, ধর্ম সংস্কার আন্দোলন হলেও; প্রকৃতপক্ষে তা ছিল প্রান্তজনের সামাজিক বিপ্লব, যা বাংলার প্রান্তজনের নবজাগরণকে সূচিত করেছিল। প্রান্তজনের নবজাগরণের প্রেক্ষিত একদিনে তৈরি হয়নি; পাঠশালা প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার প্রসার, শিক্ষা ও চাকরিতে সংরক্ষণ, নামকরণের আন্দোলন, রাজনৈতিক পরিসরে প্রান্তজনের আগমন নবজাগরণের পথকে প্রসারিত করেছিল। এখন প্রশ্ন হল সত্যিই কি প্রান্তজনের নবজাগরণ ঘটেছিল? যদি ঘটে থাকে তবে তা কতটা? ঊনবিংশ শতকের প্রথম দিকে নবজাগরণের প্রভাব বাংলার শিক্ষা দীক্ষা সমাজ ও সংস্কারের ক্ষেত্রে পাশ্চাত্য জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলো প্রবেশ করলেও; তা ছিল শহরকেন্দ্রিক।¹ ১৮৩৫-৩৮ সালের মধ্যবর্তী সময়ে উইলিয়াম অ্যাডামসের শিক্ষা বিষয়ক সমীক্ষায় দেখা যায় যে, বাংলার অধিকাংশ টোল পাঠশালা Read More …

Portrayal of Female Characters in Pinter’s Plays-Soma Mondal

Assistant Professor, Department of English,Gobardanga Hindu College [Abstract: We have a certain series of fixed stereotypes on which the images of women depend.They are subjected to much violence and cruelty.There are certain limitations in Pinter’s women characters than male characters.] Women in literature written by men are for the most part seen as other, as objects, of interest only insofar as they serve or detract from the goals of the male protagonist. Such literature is alien from female point of view because it denies her essential selfhood…   (Donovan 212) In literature we have a certain series of fixed stereotypes on which the images of women depend. These ideas are repeated over and again much in Western literature. The women are seen as objects to serve as others.       Millet’s Sexual Politics (1970), was only oneofthemanybooks that offered a critique of male-dominated literature and challenged the established (male) notions about how women are supposed to think, feel Read More …

A Drama Exploring the Delicate Balance Between Desires and Necessities

A Drama Exploring the Delicate Balance Between Desires and Necessities Dr. Krisnapada Das Abstract Drama has always mirrored societal changes and served as a powerful tool for both entertainment and social reform. From the early influences of Charyapad and Sri Krishnakirtan, which drew from public life, drama evolved to reflect the socio-political currents of its time. Beginning with the British era, when theatre construction gained momentum, playwrights like Ramnarayan and Michael Madhusudan Dutt laid the foundation for modern drama by integrating epic themes and addressing illusions of traditional forms. Over time, drama transcended entertainment to become a medium for protest, reform, and societal commentary. The socio-political upheavals of the 20th century, including the Partition of Bengal, world wars, and the emergence of movements such as the Communist Party of India, profoundly influenced dramatic narratives. Notable playwrights and directors like Rabindranath Tagore, Tulsi Lahiri, and Bijan Bhattacharya incorporated themes of survival, human struggle, and social justice Read More …

Poush Mela

Nandita Basu Sarjajari Assistant Professor, Department of Rabindra Sangeet, Dance and Drama, Sangeet Bhavan, Visva-Bharati, Santiniketan Abstract : The Poush Mela of Santiniketan, inaugurated by Maharshi Debendranath Tagore in 1894, is a significant cultural and spiritual festival of Bengal. It marks the anniversary of Debendranath’s initiation into Brahmanism, influenced by Raja Rammohan Roy’s monotheistic reform movement during the Bengal Renaissance. The event celebrates religious harmony and promotes rural arts and crafts through interfaith dialogues and vibrant marketplaces. The Santiniketan Ashram, envisioned under the serene Chatim trees, reflects Debendranath’s spiritual revelations and ideals. Over the years, Poush Mela has grown into a unique cultural confluence, showcasing performances like Baul songs, Kirtans, Jatra, and traditional crafts, symbolizing Bengal’s diverse heritage. Key Words Poush Mela, Maharshi Debendranath Tagore, Brahmanism, Santiniketan Ashram, Bengal Renaissance, Religious Harmony, Rural Arts, Baul Songs, Rabindranath Tagore, Cultural Heritage পৌষমেলা নন্দিতা বসু সর্বাধিকারী সহকারী অধ্যাপক, রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও নাটক বিভাগ, সংগীত ভবন, বিশ্বভারতী, শান্তিনিকেতন Read More …