Month: September 2021
A Socio-Cultural Exploration of 21st Century Women in Bengal
Dr. Jayanti Mandal Abstract: This study delves into the dynamic roles and evolving narratives of women in Bengal during the 21st century. As the socio-cultural landscape undergoes transformative shifts, this research aims to examine the multifaceted aspects of women’s lives, exploring their empowerment, challenges, and contributions in contemporary Bengal. Through a comprehensive analysis of societal, economic, and educational dimensions, the study seeks to unravel the intricate tapestry of women’s experiences, shedding light on their resilience, achievements, and the changing paradigms of gender roles. By considering historical contexts, cultural influences, and the impact of globalization, this research provides insights into the diverse trajectories of women in Bengal, highlighting their agency and the ways in which they navigate the complexities of the modern world. একুশ শতকের মেয়েরা. ড.জয়ন্তী মন্ডল বিশ শতকের নারীর রূপকথার মতো লড়াইয়ের গল্প। রাষ্ট্রপতির হাত থেকে বাংলার সুবাসিনী মিস্ত্রী তার শক্ত দুটি হাতের মুঠিতে ধরলেন ‘পদ্মশ্রী’ পুরস্কার। মাত্র দুবছর আগে Read More …
গুরু আমুবী সিংয়ের নৃত্যশৈলী
সায়ন্তনী চৌধুরী গুরু আমুবী সিংয়ের নৃত্যশৈলী ভারতবর্ষের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি অপূর্ব সুন্দর নৃত্যশৈলী হল মণিপুরী। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ যখন প্রথম মণিপুরী নৃত্য দেখেছিলেন তখন এটি তার সমস্ত সৌন্দর্য্য, কাবধর্মিতা ও ভাবের আবেদন নিয়ে কবির চিত্তবীণায় নাড়া দিয়েছিল। মণিপুরের বাইরে নৃত্য প্রচারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পথিকৃৎ ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। তারপরে গুরু আমুবী সিং এটিকে মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে বের করে শুধুমাত্র শিল্পের খাতিরে মঞ্চে পরিবেশনার উপযুক্ত করে তোলায় ও মণিপুরের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় এর প্রচারে এক বিরাট পদক্ষেপ নেন। তাঁর নৃত্য রচনার কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কিছু বলতে চাই। জয়দেবের ‘গীতগোবিন্দ’র হরিরিহমুগ্ধব’ রচনাটির উপর গুরুজীর নৃত্যরচনায় “গোপবধূরনু গায়তি….রাগম” অংশটিতে যেখানটা ঐ স্তবকটা শেষ হয়ে পরের স্তবক ‘কাপি বিলাসবিলোলবিলোচন’ শুরু হয়েছে সেখানে বসা থেকে ওঠাটা খুব শিল্পসম্মত। ওখানেই তাঞ্চেপ তালের আগের আবর্তন শেষ হয়ে পরের আবর্তন শুরু হচ্ছে, গানে পরের স্তবকটি শুরু হচ্ছে (অর্থাৎ নতুন বর্ণনা শুরু হচ্ছে) তার সঙ্গে বসা থেকে ঘুরে ঘুরে ওঠা শুরু হচ্ছে। তার ঠিক আগের আর্বতনের শেষ মাত্রায় বাঁ পা ফেলে বসা Read More …
সত্যেন মৈত্র ও সাক্ষরতা আন্দোলন
-শক্তি মণ্ডল স্বাধীনতা-উত্তরকালে এদেশে সাক্ষরতা তথা আ-বাঁধা শিক্ষাকে সত্যেন মৈত্র এক সুসংহত তাত্ত্বিক ভিত্তির উপর দাঁড় করিয়ে গেছেন। দেশজুড়ে তার রূপায়ণে রেখে গেছেন অনন্য অবদান। আবিষ্কার করেছেন প্রাপ্ত বয়স্ক নিরক্ষদের শেখানোর জন্য ‘সারগ্রাহী’ পদ্ধতি। তৈরি করেছেন তাদের শেখানোর জন্য অতুলনীয় প্রাইমার ও বহুবিধ শিক্ষা উপকরণ। নিপীড়িতদের কাছে শিক্ষাগত ফ্রন্টে লড়াইয়ের জন্য রেখে গেছেন ধারালো হাতিয়ার। তিনি তাঁর জীবিতকালে দেশজুড়ে পেয়েছেন সাধারণ মানুষের অগাধ ভালোবাসা। একমাত্র তাঁর নামেই ১৯৯৭সাল থেকে ভারত সরকার প্রতি বছর ৮ সেপ্টেম্বর প্রদান করে আসছে ‘সত্যেন মৈত্র লিটারেসি অ্যাওয়ার্ড’। পারিবারিক পরিচয় ও কর্মকাণ্ড: সত্যেনদা জন্মেছিলেন নবজাগরণের প্রবাহের সঙ্গে যুক্ত এক ঐতিহ্যমণ্ডিত ব্রাহ্ম পরিবারে। তাঁর জন্ম ১৫ আগস্ট ১৯১৫ সালে এবং মৃত্যু ৫ জুন ১৯৯৬ সালে। তাঁর ঠাকুরদা লোকনাথ মৈত্র ছিলেন বিদ্যাসাগরের একজন সুহৃদ। তিনি বিদ্যাসাগরের ডাকে সাড়া দিয়ে বিধবা জগত্তারিণী দেবীকে বিয়ে করেছিলেন।সত্যেনদার বাবা ডা.দ্বিজেন্দ্রনাথ মৈত্র ছিলেন মেয়ো হাসপাতালের প্রখ্যাত সার্জেন, রবীন্দ্রনাথের বন্ধু এবং সমাজসেবী। তাঁর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের নিয়মিত সাক্ষাৎ ও পত্রালাপ হত (চিঠিপত্র:সপ্তদশ খণ্ড; বিশ্বভারতী)। তিনি Read More …
ভাদু গান, ভাদু নাচ : আদিবাসী পরব থেকে সাধারণের লোক উৎসব
দেবাশিস মণ্ডল বাংলার রাঢ় অঞ্চলে যেসব লোক উৎসব ব্রত ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান সাধারণভাবে বেশিরভাগ মানুষ পালন করে থাকে তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব হলো ভাদু উৎসব। প্রধানত পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়, বর্ধমান জেলার পশ্চিম অংশে এবং ঝাড়খণ্ড রাজ্যের কিছু অঞ্চলে ভাদু উৎসব হয়ে থাকে। ভাদ্র মাসের প্রথম দিন থেকেই এই উৎসবের সূচনা হয়। বাড়ির কুলুঙ্গি পরিষ্কার করে গোবর জল দিয়ে নিকিয়ে সেখানে একটি পাত্রে কিছু ফুল, বিভিন্ন গাছের লতা পাতে দিয়ে ভাদুর বিমূর্ত রূপ প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় ফুল, ও ফলমূল দিয়ে নিবেদন করা হয়। ভক্তি ভরে প্রণাম করা হয় ভাদু কে। সারা মাস ধরে ভাদু পুজো র বিশেষ রীতি পালন করে মাসের সংক্রান্তিতে ভাদুর বিমূর্ত কাঠামো, উপকরণ বা মূর্তি বিসর্জন দেওয়া হয়। ভাদ্র মাসের প্রথম দিনটিতে ভাদুর আগমনী গান গাওয়া হয়। ভাদুর বিমুর্ত রূপ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে মেয়েরা ভাদুর আগমনী গান গায়- আমার ঘরকে ভাদু এলেন কুত্থাকে বসাবো, পিয়াল গাছের তলায় আসন পাতাবো না না Read More …
A Socio-Political Debate on the Crisis of Humanity and Tagore’s View
Dr. Rajshree Bhattacharya, Bengal Music College “Naginira charidike feliteche bishakto niswas,Shantir lalit bani shonaibe byartha parihas—Biday nebar age taiDak diye jaiDanober sathe jara sangramer tarePrastut hoteche ghore ghore.”(Prantik, Poem 18) “নাগিনীরা চারিদিকে ফেলিতেছে বিষাক্ত নিঃশ্বাসশান্তির ললিত বাণী শোনাইবে ব্যর্থ পরিহাস—বিদায় নেবার আগে তাইডাক দিয়ে যাইদানবের সাথে যারা সংগ্রামের তরেপ্রস্তুত হতেছে ঘরে ঘরে।”(প্রান্তিক, কবিতা ১৮) Introduction The socio-political crisis of the twentieth century found one of its most profound interpreters in Rabindranath Tagore. His later poetry and prose bear the marks of a deep anguish at the collapse of moral civilization under the weight of aggressive nationalism, imperial expansion, and mechanized warfare. The eighteenth and final poem of Prantik (1937), written on Christmas Day, stands as a prophetic warning against the gathering storm that would culminate in World War II. Tagore’s poetic metaphor of “poisonous serpents breathing venom” while ironically preaching peace is a scathing indictment of political hypocrisy. The poem Read More …