Shakti Mandal: Empowering Mass Education and the Adult Education Movement in West Bengal

Sandeep Dey Abstract: This study delves into the dynamic interplay between mass education initiatives and the Adult Education Movement in the state of West Bengal, with a particular focus on the transformative role played by Shakti Mandal. As an influential force in the region, Shakti Mandal has emerged as a key player in advancing educational opportunities for both the masses and adults seeking to enhance their skills and knowledge. The paper explores the historical context, key strategies, and impact of Shakti Mandal’s interventions in fostering widespread education. Through a comprehensive analysis, this research aims to contribute to a deeper understanding of the intricate relationship between mass education, adult education movements, and the pivotal role of organizations like Shakti Mandal in shaping the educational landscape of West Bengal. -সন্দীপ দে আলোর পথিক : শক্তি মণ্ডল মৃত্যু তুমি সহিষ্ণুতা শেখো,আমাদের প্রস্তুত হতে দাও”… (বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)কবির এই আকুল আর্তি কি শোনে মৃত্যুর বিভীষিকা! Read More …

Contents

Volume-3. No-3 May- June 2021 কোচবিহারের বৈরাতী নৃত্যে আধুনিকতা – অম্বিকা ভান্ডারী পৃষ্ঠা ১-৫ মন নাকি মনোরঞ্জন : সিনেমা , অভিনেত্রী এবং সত্যজিৎ রায় পৃষ্ঠা ৬-২৭ ছ’য়ের দশকে বহুরূপীর রবীন্দ্র নাটক ও শম্ভু মিত্রের নাটক – প্রযোজনা – কৃষ্ণপদ দাস পৃষ্ঠা ২৮-৪৪ বাংলা লোকসংগীতে বাদ্যযন্ত্র ব্যবহারে আধুনিকতা ও নান্দনিক দিক – প্রশেন রায় পৃষ্ঠা ৪৫-৫৫ বাক্‌যন্ত্র : গঠণ ও সাঙ্গীতিক ব্যবহার-নূর নবী মীরণ পৃষ্ঠা ৫৬-৫৮

Embodied Modernity: A Cultural Exploration of Bairati Dance in Cooch Behar

Ambika Bhandari Abstract: This research delves into the dynamic intersection of tradition and modernity within the context of Bairati dance in Cooch Behar. Bairati dance, a traditional folk art form, has evolved over time, embodying cultural shifts and adapting to contemporary influences. This study examines the ways in which Bairati dance reflects and negotiates modernity, considering both the preservation of its rich historical roots and its responsiveness to changing social, cultural, and technological landscapes. By analyzing the choreographic elements, costumes, and performances, this research aims to uncover the nuanced expressions of modernity within the Bairati dance tradition, shedding light on the intricate balance between heritage and innovation in the cultural tapestry of Cooch Behar. কোচবিহারের বৈরাতী নৃত্যে আধুনিকতা অম্বিকা ভান্ডারী উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলার লোকসংস্কৃতির উপাদান গুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল লোকনৃত্য। সেই লোকনৃত্য গুলির মধ্যে ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্য হল বৈরাতী নৃত্য। এই বৈরাতী নৃত্য সাধারণত বিয়ের অনুষ্ঠানের সাথে যুক্ত। আগে কোচবিহারের গ্রামগুলিতে Read More …

মন নাকি মনোরঞ্জন : সিনেমা , অভিনেত্রী এবং সত্যজিৎ রায়

মৌ চক্রবর্তী ১.১ মন নাকি মনোরঞ্জন বাংলা সিনেমার পাহাড়। সিনেমাগুলো শুরুতেই যে পথ ধরে ফেলেছে, তা আদতে মনোরঞ্জনের আয়োজনে তৈরি। তাতেই ব্যবসা। নির্বাক ছবির হাতেখড়ির পরই, বাংলা ছবির অর্থনীতির পারদ চড়া সংস্কৃতির মেজাজে। সিনেমার শর্ত তো বিনোদন। নাট্যচর্চার শিল্পীদের মতন তার শিল্পের মধ্যে আন্দোলনের জোয়ার আনার দরকার হয় না। এমনিতেই বাজার পায়। বেশি দেরি হয় না, সাদাকালোতে নায়িকার ভাব, নায়িকার গান-নাচের দৃশ্যকে একটু রঞ্জিত করতে। সেখানে সত্যজিৎ রায় এলেন এক অতি-বাস্তব নিয়ে। সেখানে মাত্র ৩৭ টি পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছবি। আর নির্মাণকাল মোটে ৩৬ বছর। উক্ত সিনেমায় চালচুলোহীন সমাজ, বিপন্ন পরিবারের প্রতিনিধিত্বে কি মন টান হতে পারে?  এসব সিনেমার শুরুটায় বুঝিয়ে দেয় মন না পেলেও, মনোরঞ্জন কখনই নয়। এইখানেই দ্বন্দ্ব, ছন্দ এবং সিনেমার পাঁচালী, এক অন্য পথ ধরে চলল। এমনকি স্রষ্টার সঙ্গে সঙ্গে শিল্পী-  যাঁদের প্রথম ও শেষ চেনার সনদ হয়ে রইল – সত্যজিৎ রায় – এর সিনেমা। এক কথায়, বলা যায় না। বাংলা সিনেমায় কাজ করে, কোনও অভিনেত্রী বিশ্ব সিনেমায় Read More …

ছ’য়ের দশকে বহুরূপীর রবীন্দ্র নাটক ও শম্ভু মিত্রের নাটক – প্রযোজনা

কৃষ্ণপদ দাস ভূমিকা — আধুনিক বাংলা-নাট্যের আলোচনায় অন্যতম ব্যক্তিত্ব শম্ভু মিত্র। অভিনেতা, নাট্যকার, পরিচালক এবং সংগঠকের ভূমিকায় থেকে প্রথম গ্রুপ থিয়েটারের সূত্রপাতের জনক তিনিই। প্রথম গ্রুপ থিয়েটার ‘বহুরূপী’ — যা তৈরীর কৃতিত্ব শম্ভু মিত্রের। গণনাট্য সংঘ থেকে বেরিয়ে এসে মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যকে নিয়ে ‘বহুরূপী’ খুব স্বল্প সময়েই বিশেষ উচ্চতায় স্থান করে নিয়েছে রবীন্দ্র-নাট্যের প্রযোজনা দিয়ে — যা পাঁচের দশক থেকে শুরু হয়েছিল। পাঁচের দশকে ‘রক্তকরবী’, ছয়ের দশকে রবীন্দ্র জন্মশতবর্ষে ‘বিসর্জন’ ‘রাজা’ নিয়ে জনপ্রিয়তার শিখরে ওঠে বহুরূপী। বহুরূপীর পাশাপাশি এল নান্দীকার, শৌভনিকের মত নাট্যদল। তবে আমার এই মুহূর্তের উপস্থাপনা শম্ভু মিত্রের মৌলিক নাট্যভাবনা এবং বহুরূপীর নিজস্ব প্রযোজনায় রবীন্দ্র-নাটক।) স্বাধীনতা উত্তর বাংলা নাটকের ক্ষেত্রে যাঁরা অবদান রেখেছেন, তাদের প্রায় সকলেই গণসংস্কৃতির প্রশস্ত রাস্তায় পা মিলিয়েছিলেন । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবীর সমাজতান্ত্রিক দেশগুলির অভূতপূর্ব অগ্রগতি লক্ষ করে ভারতের শ্রমজীবী মানুষের । মনেও সমাজ পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা অঙ্কুরিত হয়। স্বাধীনতা দেশপ্রেম ও মানবমুক্তির । সংজ্ঞায় শ্রেণিসংগ্রামের তত্ত্ব যুক্ত হল । এরই পটভূমিতে প্রতিষ্ঠিত গণনাট্য সংঘের কর্মসূচিতে Read More …

বাংলা লোকসংগীতে বাদ্যযন্ত্র ব্যবহারে আধুনিকতা ও নান্দনিক দিক – প্রশেন রায়

লোকসঙ্গীতে বিভিন্ন প্রকার লোক বাদ্যের ব্যবহার লোক সঙ্গীতের ভাব এক এক প্রকার। এগুলো নির্ভর করে বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতের উপর। ভৌগলিক অবস্থান থেকে শুরু করে মানুষের সামাজিক অবস্থা, জীবনের বিভিন্ন ঘটনাবলী, অর্থনৈতিক অবস্থা, বিভিন্ন ধরনের কাজের ব্যবহৃত শ্রম ইত্যাদির উপরে লোকসঙ্গীতের ধরণ নির্ভর করে। বাংলাতেও বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে এক এক প্রকার লোকসঙ্গীতের প্রকাশ ঘটেছে। অঞ্চলভেদে বিভিন্ন লোকগানের মধ্যে কোথাও রয়েছে প্রাকৃতিক রুক্ষতা বা কমলতার প্রভাব, কোথাও আছে নিরন্তর অপেক্ষা অথবা অশ্রুসজল কারন, কোথাও আছে ঋতুকালীন উৎসব, আবার কোথাও আছে সামাজিক ও আর্থিক অবস্থার ব্যাঙ্গত্মক প্রকাশ। এইরূপ বহুমুখী লোকসঙ্গীতের বিভিন্ন প্রকার ভাব ধারাকে পরিস্ফূট করার জন্য সঠিক লোকবাদ্যাদির ব্যবহারও বিশেষ গুরুত্বপূর্ন। বাদ্যযন্ত্রের সঠিক প্রয়োগেই একটি লোকসঙ্গীত ভাবানুযায়ী প্রাণবন্ত হয়ে উঠতে পারে। এই প্রসঙ্গে বাংলায় বিভিন্ন প্রকার লোকসঙ্গীতে বিভিন্ন প্রকার লোক বাদ্যাদির কিরূপ ব্যবহার হয় তা আলোচনা করা হচ্ছে। বাউল গানে ব্যবহৃত বাদ্যযন্ত্র বাউল গানের মধ্যে গুরুবাদী তত্ত্ব বা দেহতত্ত্বের ভাব ব্যাঞ্জনায় যে একাগ্রতা প্রকাশ পায় অথবা অসীম জগতের বিশালতার মাঝে যা উদাত্য সুর ধ্বনিত Read More …

বাক্‌যন্ত্র : গঠণ ও সাঙ্গীতিক ব্যবহার

নূর নবী মীরণ বাকযন্ত্র আদতে কি! এটি (বাকযন্ত্র বা ভোকাল) সত্যিই একটি অনন্য বাদ্যযন্ত্র। যে যন্ত্রের আওয়াজ এর গুণগত মান এবং যন্ত্রের নাম প্রকাশের জন্য একটিই শব্দ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যন্ত্রটির আওয়াজের নামেই এটিকে চেনা যায়। একে চেনার জন্য এই যন্ত্রের সাহায্যে সৃষ্ট আওয়াজের বিশেষ ব্যাখ্যার দরকার হয় না। এই যন্ত্রটিকে ব্যবহারের সময় বা ব্যবহারের প্রয়োজনে ব্যবহারকারীকেই ব্যবহার উপযোগী করতে হয়। বাইরে থেকে বা ব্যবহারকারী ছাড়া অন্য কারও পক্ষে এটিকে তৈরি করে দেয়া সম্ভব নয়। কেননা এর কাঠামো পুরোটাই মানুষের শরীরের মধ্যে প্রচ্ছন্ন থাকে। বাইরে থেকে যন্ত্রটির কিছু খন্ডিত অংশ দেখা গেলেও পুরো যন্ত্রটি দেখা কোনভাবেই সম্ভব হয় না। সাধারণ বাদ্যযন্ত্রের মত এটি সাধারণ ছকে আবদ্ধ থাকে না। তিনটি ভিন্ন ভিন্ন স্বতন্ত্র প্রক্রিয়ার সমন্বয়ে এটিকে তৈরি করতে হয়। মূলত এটি পেশি, কোমলাস্থি এবং হাড়ের সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে। বাকযন্ত্র বা কন্ঠ নামে এই যন্ত্রটিকে নামকরণ করা হলেও এর যন্ত্রাংশগুলি আওয়াজ তৈরি ছাড়াও অন্য কাজ করে থাকে। যা আর কোন Read More …

রবীন্দ্র ভাবনায় ঐতিহ্য ও আধুনিকতা : পুনশ্চ কাব্যের ‘ছেলেটা’

ড. রাজশ্রী ভট্টাচার্য Abstract This paper examines the dialectical interplay of tradition and modernity in Rabindranath Tagore’s late poetic vision, with special reference to the poem “Cheleta” from the collection Punashcha (1932). Written during the mature phase of his creative life, the poems of Punashcha reveal a significant shift in diction, form, and thematic orientation. Breaking away from classical metrical rigidity, Tagore adopts a flexible prose-rhythm that accommodates the raw textures of lived reality. The nameless boy in “Cheleta” emerges as a symbolic representative of marginalized existence—rooted in nature, resilient amidst deprivation, and instinctively free from social pretension. Through this character, Tagore redefines poetic aesthetics by foregrounding the ordinary, the neglected, and the socially peripheral. The study further situates this poem within Tagore’s broader philosophical and educational ideals, particularly his emphasis on freedom, creativity, and organic communion with nature. By drawing parallels with poems from Janmadine and songs from Gitabitan, Read More …

মাতৃভাষা বাংলা ও এরাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলি

-শক্তি মণ্ডল খবরে প্রকাশ,বাংলার গর্ব, শিবপুরের আই আই ই এস টি-তে ২০২০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, সোসাইটি অব মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার -এর উদ্যেগে সেনাদের উদ্দেশে হিন্দিতে একটি শ্লোগান লেখার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিষ্ঠানের অধিকর্তা শ্রী পার্থসারথি চক্রবর্তী হিন্দিতে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে লিখেছিলেন এই কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানে হিন্দির প্রসার ঘটানো উচিত। তিনি হিন্দিতে সইও করেছিলেন। বর্তমান ও প্রাক্তন অনেক শিক্ষার্থী এর প্রতিবাদ করেন। সব ভাষায় এটি করার দাবি তোলেন। অধিকর্তা বলেন, “…কেন্দ্রীয় এই প্রতিষ্ঠানে হিন্দি প্রসারের কথা কেন্দ্রীয় সরকারের বিধিতেই আছে।এরা(প্রতিবাদী পড়ুয়ারা) বাংলার বাইরে যায়নি।তাই এসব নিয়ে ছেলেমানুষি করে যাচ্ছে।”(আ.বা.প./১৪.০৯.২০) সাবাস! তাহলে সব ভাষার সম-অধিকরের দাবি ছেলেমানুষি ?আশ্চর্য এই যে,এখনও পর্যন্ত এর বিরুদ্ধে একটিও রাজনৈতিক দল বা গণ-সংগঠনের বিবৃতি চোখে পড়েনি।স্বাধীনতা আন্দোলনের সময়েই বাংলার উন্নত চেতনায়, মননশীলতায় ও মুক্তচিন্তায়, শুধু বৃটিশ শাসকরা নয়, জমিদার-পুঁজিপতি শ্রেণিও দারুণভাবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।তাই তারা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে বঙ্গভঙ্গে সামিল হয়েছিল।বাংলাতে যখন থেকে কংগ্রেস দলে সুভাষ- বিরোধী গোষ্ঠীর প্রাধান্য বেড়েছে, তখন থেকে এখানে অবাধে চলেছে দিল্লির আগ্রাসন। Read More …