বাঁশির সুরমাধুর্যে গৌর গোস্বামী ও সানাইয়ের সুরমূর্চ্ছনায় আলি আহমেদ: যন্ত্রবাদনের দুই দিকপাল – ভবানীশঙ্কর দাশগুপ্ত
Abstract (সংক্ষিপ্তসার):এই প্রবন্ধে ভারতীয় উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে দুই অনন্য যন্ত্রশিল্পী—বাঁশির গৌর গোস্বামী এবং সানাইয়ের আলি আহমেদ হোসেন—এর সঙ্গীত জীবন, শিল্পসাধনা এবং প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। বাঁশির মৃদু সুর ও রাগভাষার সূক্ষ্মতাকে তুলে ধরতে গৌর গোস্বামী যেভাবে মাইহর ঘরানার ধারায় রাগসঙ্গীত পরিবেশন করেছেন, তা একাধারে আবেগপূর্ণ ও কারিগরি দৃষ্টিকোণ থেকে নিখুঁত। অন্যদিকে, ঐতিহ্যগতভাবে লোকজ অনুষ্ঠানসমূহে ব্যবহৃত সানাইকে ধ্রুপদী রাগসঙ্গীতের এক গম্ভীর ও রসনীয় যন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন আলি আহমেদ। প্রবন্ধে স্মৃতিকথার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে তাঁদের পরিবেশনা, ব্যক্তিগত জীবন, ও অপ্রতিষ্ঠানিক অবদান—যার অনেকটাই প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির বাইরে থেকে গেছে। গৌর গোস্বামী ও আলি আহমেদ উভয়েই সঙ্গীতকে উপার্জনের মাধ্যমের চেয়ে বেশি এক সাধনার ক্ষেত্র হিসেবে দেখেছেন এবং নতুন প্রজন্মকে শিক্ষাদানের মাধ্যমে তাঁদের উত্তরাধিকার রক্ষা করেছেন। তাঁদের সংগীতজীবনের প্রতিভা ও নিষ্ঠা সত্ত্বেও যথোচিত স্বীকৃতি না পাওয়ার পেছনে সঙ্গীত জগতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, আঞ্চলিক পক্ষপাতিত্ব ও সামাজিক কাঠামোর প্রভাবও আলোচিত হয়েছে। এই প্রবন্ধ দুই যন্ত্রবাদকের শিল্পসাধনার পাশাপাশি তাঁদের প্রতি প্রজন্মের ঋণ ও শ্রদ্ধা নিবেদনের এক আন্তরিক প্রচেষ্টা। Read More …