কোমল গান্ধার : নিহিত আন্দোলন-অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায়

বিশিষ্ট সরোদ বাদক, অভিনেতা ও লেখক আমি ‘কোমল গান্ধার’ ছবিটি দেখি বেশ বড় বয়সে। নব্বইয়ের দশকে কোনো এক সকালে প্রিয়া সিনেমা হলে। ছবিটি দেখাবার আয়োজন করেছিল ঋত্বিক বাবুর ছেলে ঋতবান অর্থাৎ বাবু। বাবু এবং বাবুর বোন ঋত্বিক বাবুর ছোট মেয়ে সুস্মিতা আমার বন্ধু ছিল। ছবিটি দেখেছিলাম হাতে গোনা কয়েকজন মিলে। যার মধ্যে ঋত্বিক-বাবু স্ত্রী সুরমা দেবী, বড় মেয়ে সংহতি এবং আমার দাদা বন্ধু কবি ও প্রাবন্ধিক অঞ্জন সেন ছিলেন। ছবি দেখার আগেই অঞ্জনদা বলেছিলেন ছবিটি মন দিয়ে দেখ কারণ ছবিটির সঙ্গীত নিয়ে তোমায় একটা লেখা দিতে হবে আমার পত্রিকা ‘গাঙ্গেয় পত্রের’ জন্য। ছবিটি মন দিয়ে দেখেছিলাম কিন্তু নানা কারণে লেখাটা লিখে উঠতে পারিনি। আজ দীর্ঘ ৩৫ বছর বাদে সেই লেখা লিখতে হচ্ছে আরেক দাদা বন্ধু যিনি আবার আমার আবাসনের আবাসিক সেই গৌতম চক্রবর্তীর অনুরোধে যিনি আবার সিনেগিল্ড বালির’ একজন সদস্য। ঋত্বিক বাবু তাঁর প্রথম ছবি নাগরিক (১৯৫২) করার প্রায় দশ বছর পরে ‘কোমল গান্ধার’ ছবিটি তৈরি করেন (১৯৬১) সালে। কবিগুরু Read More …

Transformation of Guru Shishya Parampara in Institutional  Settings of Music-Dr. Mausumi Pal

ABSTRACT The Guru – Shishya Parampara , an ancient Indian tradition of musical apprenticeship, is undergoing a transformation as it adapts to institutional settings. Institutions are incorporating elements of the Guru-Shishya Parampara. Many music schools and academies are attempting to blend traditional teaching structures.  Institutions are developing structured curricula that incorporate elements of the Guru-shishya Parampara , ensuring a more systemetic approach to learning. While the personalized bond between guru and shishya remains crucial, institutions also provide formal assessments and certifications, offering students recognized qualifications. Institutions are offering flexible learning options, including part-time courses and online classes, to accommodate students with varied schedules and commitments. A key challenge is to ensure that the core values and principles of the Guru – Shishya parampara are not diluted or compromised as it is integrated into formal institutions. Finding the right balance between traditional teaching methods and modern pedagogical approaches is crucial for Read More …

নববর্ষের ইতিহাস, বিশ্বাস, প্রথা ও সংকল্প ও ২০২৫ এর উল্লেখযোগ্য ঘটনা

নববর্ষ আশার ও আনন্দের এক নতুন ঋতু নিয়ে আসে। এটি আমাদের প্রিয় মানুষদের সঙ্গে নতুন করে শুরু করার সূচনার প্রতীক। যদিও আমরা অনেক সময় কয়েক দিনের মধ্যেই নববর্ষের সংকল্প ভেঙে ফেলি, তবু প্রতি বছর নতুন করে সংকল্প গ্রহণ করি—এই আশায় যে এবার তা স্থায়ী হবে। আজকের দিনে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে ১ জানুয়ারি নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়, যা প্রায় সারা বিশ্বেই অনুসৃত। কিন্তু সব সময় এমন ছিল না। কীভাবে ১ জানুয়ারি নববর্ষের দিন হয়ে উঠল? নববর্ষ উদ্‌যাপনের ইতিহাস প্রায় চার হাজার বছরের পুরোনো—খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ২০০০ অব্দে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা থেকেই এর সূচনা। সে সময় বসন্ত বিষুবের পরে, মার্চ মাসের মাঝামাঝি প্রথম পূর্ণিমার পর নববর্ষ পালিত হতো। তখন এটি ‘আকিতু’ নামে ১১ দিনব্যাপী উৎসব ছিল, যার প্রতিটি দিনের আলাদা আলাদা আচার-অনুষ্ঠান ছিল। এই উৎসবের মাধ্যমে আকাশদেবতা মারডুকের সমুদ্রদেবী তিয়ামতের উপর পৌরাণিক বিজয় উদ্‌যাপন করা হতো। এই উপলক্ষে নতুন রাজাকে সিংহাসনে বসানো হতো অথবা পুরোনো রাজাকে শাসন চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হতো। বিশ্বের বিভিন্ন Read More …

রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে সৌন্দর্য ও সত্যের সম্পর্ক-দ্যুতি সাঁতরা

গবেষক, সিস্টারনিবেদিতা বিশ্ববিদ্যালয় সারাংশরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নন্দনতত্ত্বে সত্য, সুন্দর এবং আনন্দ এক অভিন্ন সত্তার তিনটি দিক। তাঁর মতে, যা পরম সত্য, মানুষের হৃদয়ের গভীর উপলব্ধিতে তা-ই সুন্দর রূপে প্রতিভাত হয় এবং সেই সৌন্দর্যের আস্বাদন থেকেই জন্ম নেয় অনির্বচনীয় আনন্দ।এই দর্শনের মূল দিকগুলো হলো: আনন্দের অনুভূতি যেমন প্রাকৃতিক দৃশ্যে জাগ্রত হয়, তেমনি মানুষের সৃষ্ট শিল্পকর্মেও তা অনুভূত হয়। প্রকৃতি ও শিল্প—উভয় ক্ষেত্রেই মানুষের অভিজ্ঞতার কেন্দ্রে রয়েছে আনন্দ। শিল্পী যা সৃষ্টি করেন, তার উদ্দেশ্য একদিকে নিজের আনন্দলাভ, অন্যদিকে রসিকের আনন্দসাধন। এই আনন্দই শিল্পের মৌলিক প্রেরণা। রবীন্দ্রনাথ মানুষের মৌলিক বৃত্তিকে তিন ভাগে বিভক্ত করেছেন—জ্ঞানবৃত্তি, কর্মবৃত্তি ও অনুভূতিবৃত্তি। এই তিনটির পাশাপাশি তিনি আরেকটি স্বতন্ত্র বৃত্তির কথা বলেছেন, তা হলো শিল্পবৃত্তি। এই শিল্পবৃত্তির ভিত্তি মানুষের সহজাত সৃষ্টিস্পৃহা বা ‘সৃষ্টির আকুতি’। শিল্পী এই আকুতির টানে সৃষ্টি করেন এবং সেই সৃষ্টিকর্মের মধ্যেই তিনি আনন্দের উপলব্ধি করেন। সুতরাং যেখানে মানুষ শিল্পী, সেখানে সে নিছক ব্যবহারিক দায় বা প্রয়োজনের সীমা অতিক্রম করে। শিল্পী শিল্পকর্ম রচনা করে যে আনন্দ পান, তা Read More …

উনিশ শতকের বাংলায় ‘বাবুয়ানার’ ইতি-বৃত্তান্ত-  সঞ্জয় দাস 

সহকারী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, বান্দোয়ান মহাবিদ্যালয়                                                                                                               সারসংক্ষেপ–  ঊনিশ শতকের বাংলায় ‘বাবু’ সম্প্রদায়ের উত্থান ও পতন বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতির ইতিহাসে একটি বিশেষ পর্যায়। মূলত কোলকাতা বাণিজ্য-নগরীর উত্থানের সাথে সাথে, ইংরেজ বনিক ও শাসক শ্রেণির সহযোগি হিসেবে এই শ্রেণির উত্থান ঘটে। চিরস্থায়ী ভূমি বন্দোবস্তের ফলে বাংলার পুরাতন জমিদার শ্রেণি ক্ষমতা হারায় ও নিলামে ওঠে তাদের জমিদারি। সেখানে ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে তাদের সহযোগি হিসেবে ব্যবসা বাণিজ্য করে হঠাৎ ধনী হয়ে ওঠা ‘চতুর ফড়িয়া-ব্যবসায়ী’ শ্রেণি সেই নিলামে ওঠা জমিদারি কিনে নতুন জমিদার হয়ে ওঠেন। কিন্তু তারা বসবাস শুরু করেন কোলকাতায়। তারা ছিলেন তাদের জমিদারিতে অনুপস্থিত জমিদার, তাদের হয়ে জমিদারি দেখাশোনা করতেন দেওয়ান, নায়েব-গোমস্তারা।  সমসাময়িক কোলকাতার নাগরিক সমাজে সেই নয়া জমিদার-ব্যবসায়ীদের সেই অভিজাত গোষ্ঠী নিজেদের বিলাস-ব্যাসনে, আমোদ-ফুর্তিতে ইংরেজদের অনুকরণে, চাল-চলনের প্রচেষ্টায় ‘বাবু’ বলে খ্যাতির অধিকারী হয়েছিলেন। আধুনিক যুগে আসার অব্যবহিত পূর্বের বা বলা যেতে পারে সেই সন্ধিক্ষণের সময়টাকে বাংলায় বাবু সংস্কৃতির সময় বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে। লটারিতে পাওয়া বিপুল অর্থের অধিকারীর ন্যায় Read More …

Shaktism and spirituality -Dr. Srabani Sen

Associate Professor, Department of Music, Tarakeswar Degree College e-mail- dr.ssen8693@gmail.com  Mobile no- 6290855102 Sakta philosophy a key branch of Hinduism, focuses on the worship of sakti, the divine feminine energy. The concept of sakti and its relation to spirituality. The eighteenth century in Bengali literature was a significant period for Sakta padavali, a genre of devotional poems dedicated to the Hindu Goddess, in the form of kali. The society of eighteenth century adopted Sakti Sadhana in a new form. Some people adopted the goddess as form of mother or daughter. Sakta poet Ramprasad Sen adopted God Kali as her mother, in sometime  daughter or supreme power of Universe. Ramprasad Sen was considered to be the first poet-devout of this poetic tradition. Ramprasad Sen and Kamalakanta Bhattacharyya composed many sakta songs.The style,from the diction and thematic  variety of Sakta songs took shape and maturity in their hands. Kamalakanta decorated the sakta Read More …

অভিশম্পাত ও সম্পর্কের সন্ধিক্ষণ: বরাহপুরাণের শ্বাশুড়ী-বৌমা প্রসঙ্গ – সাত্বিকা চক্রবর্ত্তী 

Educator Assistant,   [সংস্কৃত বিভাগ,দ্বিজেন্দ্রলাল কলেজ]                                                                               সারসংক্ষেপ (Abstract in Bengali): অষ্টাদশ মহাপুরাণের মধ্যে অন্যতম হল ‘বরাহপুরাণ’। এই বরাহপুরাণের অষ্টমাধ্যায়ের ‘ধর্ম্মব্যাধ উপাখ্যান’- এ বর্ণিত শ্বাশুড়ী-বৌমা প্রসঙ্গটি ভারতীয় পারিবারিক সম্পর্কের গভীর মনস্তাত্ত্বিক, নৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষণকে ধারণ করে। এখানে ধর্ম্মব্যাধ কর্তৃক প্রদত্ত ‘অভিশম্পাত’ কেবল এক অলৌকিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং এটি মানবসম্পর্কের অন্তর্লীন জটিলতা, অহং ও অনুশোচনার প্রতীকী প্রকাশ। এখানে শ্বাশুড়ী ও বৌমার পারস্পরিক সংঘাত নারীসত্তার ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং পারিবারিক কর্তৃত্বের প্রশ্নে উদ্ভূত মানসিক টানাপোড়েনকে প্রতিফলিত করে। বরাহপুরাণ এই সম্পর্ককে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছে যে, অভিশম্পাত কেবল শাস্তি নয়— এটি আত্মশুদ্ধি, নৈতিক পুনর্জাগরণ ও সম্পর্কের পুনর্নির্মাণের এক রূপক প্রক্রিয়া। এই গবেষণা সেই পৌরাণিক কাহিনিকে আধুনিক সমাজমনস্তত্ত্বের প্রেক্ষাপটে পুনরায় পাঠ করার এক প্রচেষ্টা, যেখানে পুরাণ হয়ে ওঠে মানবিক সম্পর্কের দার্শনিক প্রতিচ্ছবি। সূচক শব্দ (KeyWords in Bengali): অভিশম্পাত, বরাহপুরাণ, শ্বাশুড়ী-বৌমা সম্পর্ক, নারী-মনস্তত্ত্ব, ধর্মীয় ন্যায়, নৈতিক পুনর্জাগরণ, সামাজিক প্রতীকবাদ।  ‘ শ্বাশুড়ী- বৌমার সম্পর্ক’ অত্যন্ত জটিল  একটি বিষয় । জটিল  বললাম এই কারণেই, যেহেতু  খুব Read More …

নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভি. বালসারা — দুই কিংবদন্তির সান্নিধ্যে- ভবানীশঙ্কর দাশগুপ্ত

সঙ্গীতের আবহাওয়ায় জন্মেছি ও বড় হয়েছি। আমার জীবনের প্রায় প্রতিটি দিনই সংগীতের সুরে, তাল-লয়ে ও রাগ-রাগিণীতে ভরপুর। শৈশব থেকেই অসংখ্য বিখ্যাত গায়ক ও বাদককে দেখেছি—কখনও ছবিতে, কখনও বাস্তব জীবনে। ছয়-সাত বছর বয়স থেকেই রাগের নাম শুনলেই কোনো না কোনো স্বর মনে আসত, আর গলায় তুলতে পারতাম তার আভাস। আমার বাবা, পণ্ডিত বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, ছিলেন স্বনামধন্য সরোদবাদক ও আলাউদ্দিন খাঁর মাইহার ঘরানার বিশিষ্ট শিষ্য। তিনি যখন রেওয়াজ করতেন, আমি পাশে বসে ব্যাডমিন্টন র‍্যাকেট হাতে তাঁর অনুকরণ করতাম। বাবার গুরুজনদের মধ্যে জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ, ধ্রুবতারা যোশী প্রমুখের সঙ্গে আমি শৈশবেই পরিচিত হয়েছিলাম। তাঁরা মাঝে মাঝে গানের কলি গেয়ে রাগের নাম জিজ্ঞেস করতেন—কিছু ঠিক ধরতে পারতাম, কিছু আবার নয়। এখন ফিরে দেখি, সেসব ছিল একান্তই ছেলেমানুষি; কিন্তু সংগীতের সঙ্গে আমার আত্মিক বন্ধনের সূচনা তখনই ঘটে। প্রথম সাক্ষাৎ: নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৭৫ সালের কথা। নবম শ্রেণিতে পড়ি, ইমন রাগের বিলম্বিত গৎ শিখছি। হঠাৎ একদিন বাবা নিয়ে গেলেন রবীন্দ্রসদনে এক অনুষ্ঠানে, যেখানে প্রধান শিল্পী ছিলেন কিংবদন্তি সেতারবাদক Read More …

প্রকৃতির অন্য চেতনায় ‘পথের পাঁচালী’-উদয় নারায়ণ সাহা

সারসংক্ষেপ : বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যচেতনার মূল ভিত্তি প্রকৃতি ও মানুষ—এই দুইয়ের মেলবন্ধন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেখানে মানবপ্রকৃতি ও বিশ্বপ্রকৃতির একাত্মতাকে তুলে ধরেছেন, সেখানে বিভূতিভূষণ সেই ধারা থেকে সরে এসে এক বাস্তব, জীবন্ত ও অনাড়ম্বর প্রকৃতির রূপ অঙ্কন করেছেন। ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসে প্রকৃতি শুধু পটভূমি নয়, জীবন্ত চরিত্রের মতো উপস্থিত—যেখানে কাশবন, উলুখড়, বকুল, পলতা, তুঁত গাছ, পাখির ডাক, বর্ষার সোঁদা গন্ধ, ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দ—সব মিলিয়ে এক অনুপম জীবনের সঙ্গীত তৈরি করেছে। অপু ও দুর্গার জীবনে প্রকৃতি হয়ে উঠেছে বন্ধু, সহচর ও শিক্ষক। দারিদ্র্য, কৌতূহল ও আনন্দ—সবই প্রকৃতির ছায়ায় বিকশিত হয়েছে। এই উপন্যাসে ঔপন্যাসিক দেখিয়েছেন, মানুষ প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন হলে তার অস্তিত্ব বিপন্ন হয়। বর্তমান শিল্পায়ন ও নগরায়নের যুগে তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি পরিবেশ সচেতনতার দিক থেকেও প্রাসঙ্গিক। ফলে ‘পথের পাঁচালী’ শুধু এক গ্রামীণ জীবনের কাহিনি নয়, এটি প্রকৃতি ও মানুষের অবিচ্ছেদ্য আত্মিক সম্পর্কের এক অনুপম দলিল। সূচক শব্দ : বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, পথের পাঁচালী, প্রকৃতি চেতনা, গ্রামীণ জীবন, পরিবেশ সচেতনতা, অপু ও দুর্গা, বাংলা Read More …

The Dawn of Ectogenesis: Navigating the Societal and Ethical Frontiers of Artificial Womb Technology – SOURAV MUKUL TEWARI

Abstract The development of artificial womb technology, known as ectogenesis, marks a profound inflexion point in the history of human reproduction. While the immediate clinical application is centred on dramatically improving survival rates for extremely premature infants, the wider implications of this technology extend far beyond the neonatal intensive care unit. This scholarly article explores the multifaceted landscape of ectogenesis, bridging its nascent scientific and engineering foundations with its complex societal, ethical, and cultural “soft impacts.” Drawing upon a case study that utilises speculative design as a tool for public engagement, we analyse how a public “protostage” emerges to deliberate on issues that transcend clinical data, such as shifting concepts of parenthood, bodily autonomy, and the very meaning of gestation. The research demonstrates that through imaginative engagement, the public actively constructs futures, often drawing on existing stereotypes and lived experiences to frame the technology as a solution for infertility, a Read More …