রবীন্দ্রনৃত্যনাট্যের নায়িকাচিত্রণে নাট্যশাস্ত্রদর্শিত অষ্টনায়িকার বিন্যাস – ডঃ অরিজিৎ গুপ্ত
সহকারী অধ্যাপক সংস্কৃত বিভাগ দ্বিজেন্দ্রলাল কলেজ “তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা, তুমি আমার সাধের সাধনা, মম শূন্যগগনবিহারী। আমি আপন মনের মাধুরী মিশায়ে তোমারে করেছি রচনা- তুমি আমারি, তুমি আমারি, মম অসীমগগনবিহারী” রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন নৃত্যনাট্যগুলিতে বিভিন্ন অবস্থা এবং বিভিন্ন প্রসঙ্গে আমরা বিভিন্ন মুখ্য নারী চরিত্র অর্থাৎ নায়িকাদের বর্ণনা পাই। ভারতীয় কাব্যশাস্ত্রে নায়িকার যে বৈশিষ্ট্যগুলি আলঙ্কারিককর্তৃক নির্দিষ্ট হয়েছে, সেগুলি যেন কবিহৃদয়ের অন্তস্থলেই লুক্কায়িত ছিল, যা্র সাথে তিনি তাঁর কল্পনাকল্পিকার স্পর্শে সৃষ্টি করে গেছেন সমগ্র গীতবিতানের শতাধিক গান। প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে প্রাণসত্তার আরোপই কবিহৃদয়ের একান্ত মেধার ফসল। তাঁর নৃত্যনাট্যের নায়িকারা তাই বিভিন্ন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন মনঃস্থিতির প্রকাশ করেছে। সংস্কৃত সাহিত্যশাস্ত্রের ইতিহাসে পথিকৃৎ রূপে ভরতমুনির নাট্যশাস্ত্র গ্রন্থে কাব্যের বিভিন্ন নায়িকার বৈশিষ্ট্য ভেদ এবং রূপায়ণ বিস্তারিত ভাবে চিত্রিত হয়েছে। নৃত্যনাট্যগুলির প্রত্যেকটি সাধারণতঃ নায়িকাপ্রধান। চরিত্র আর ঘটনার প্রয়োজনে যথাযথ পুরুষচরিত্রের সংযোজন ঘটেছে। প্রসিদ্ধ ও কল্পিত উভয়বিধ নায়িকাচরিত্র চিত্রিত হয়েছে নৃত্যনাট্যগুলিতে। যদিও, বিভিন্ন নায়িকাদের মধ্যে মুখ্য বৈলক্ষণ্য বিদ্যমান, তবু, নানা অবস্থায় গুণমুগ্ধ নায়িকার হাবভাব এবং ক্রিয়াকলাপ রবীন্দ্রনাথ তাঁর Read More …