EVOLUTION OF STRINGED INSTRUMENTS AND THEIR DOMINANCE IN INDIAN MUSIC

Anurupa Hazra PhD Scholar, Department of Instrumental Music, Rabindra Bharati University Abstract Instruments are inseparable part of music and pursuing knowledge on the history and evolution of musical instruments is important. The musical instruments are of four types – a) Tata, string instruments, b) Avanaddha, skin covered hollowed instruments, c) Sushira, wind instruments and d) Ghana, solid instruments. This paper focuses on the string instrument. Synthesizing evidence from existing literature and based on discussions with experts, the paper provides information on string instrument’s invention, evolution and dominance over other instruments and influence on Indian music. The first stringed instrument invented was the hunter’s bow and thus, ‘Dhanuryantra’ is the father of all stringed instruments from the ancient period till now. There has been an evolutionary trend in Indian musical instruments from the Ancient period to the 12th or 13th century, and the continuity of the instrument’s structural variation was maintained. Read More …

The Multifaceted Maestro Behind the Curtains

Dr. Biswajit Mondol Abstract: Kumar Roy, often recognized solely as an accomplished actor, transcends the stage as a prolific planner, dramatist, reciter, drama editor, and director. Behind the scenes, he embodies an enviable personality, serving as a disciplined silent organizer, a publicity-averse Kandari, and a compassionate teacher. Tripti Mitra, under his direction, presented a legendary play that left a profound impact. The first review in Anandabazar Patrika noted that what was previously unsaid about his earlier plays now finds expression in the context of the latest production, ‘Legend.’ The simplicity yet effectiveness of the play moves audiences with the sincerity of the chief bridegroom’s grief, while the central theme of freedom from fear resonates universally. Beyond his theatrical prowess, Kumar Roy unveils another facet of his extraordinary talent – an outstanding painter, proficient in creating beautiful images using watercolours and pastels. His artistic expression extends beyond the stage, leaving an Read More …

‘লকডাউন’ পরিস্থিতিতে অনলাইন পঠন-পাঠন পদ্ধতির প্রবর্তন : একটি অনুসন্ধান

 ড. সুশান্তকুমার সামন্ত নভেল করোনা ভাইরাসের প্রকোপ প্রতিহত করার মতো ওষুধ বা টীকা কোনোটাই এখনো মানুষের হাতে আসেনি।পৃথিবীতে দুশোর বেশি দেশ আক্রান্ত হওয়ার পরেও সংক্রমণের সংখ্যা উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে,থামার কোনও লক্ষণই নেই। তবে আশার কথা, মৃত্যুর হার অনেকটা ঠেকোনো গেছে। আর সুস্থতার হারও অনেকটাই বেড়েছে। এমতাবস্থায়, সংক্রমণ যেন ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য ব্যবস্থা হিসেবে একদিকে চলছে লকডাউন আর একদিকে প্রকৃষ্ট স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও পরিষেবার মাধ্যমে রোগের কষ্ট থেকে মানুষকে অব্যাহতি দেওয়া কিংবা রোগ নির্মূল করার নিরলস প্রচেষ্টা।লকডাউন তো অসুখ সারানোর remedy নয়।সংক্রমণের গতিকে, সামাজিক শৃঙ্খলকে বহুলাংশে ছিন্ন করে দেবার ক্ষমতা আছে তার।তাই,লকডাউন পর্বে যা করা সম্ভব বা লকডাউন ব্যবস্থাপনা যা দিতে পারে তা হল – এই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে চিকিৎসা-ব্যবস্থা ও পরিষেবা,অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থেকে শুরু করে জীবনকে সচল রাখার নানা পরিকাঠামোগত দিকের সম্প্রসারণ ও তা সবার জন্য যথেষ্ট উপযোগী করে গড়ে তোলা।জীবন-জীবিকার ধারা ও বিন্যাসকে অটুট রাখতে দায়িত্ববান বিজ্ঞানী,ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, virologist, epidemiologist প্রত্যেকেই প্রাণপণ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।তার সঙ্গে সাধারণ মানুষজনের Read More …

রাঢ়ের সম্পদ ঝুমুর তুষু ভাদু গান

ড. সোমা দাস মণ্ডল রাঢ়বাংলা বাংলার সর্বত্র গানে উৎসবে ভরপুর থাকে বছরের অনেকটা সময়।  বাংলা লোকগানই তার প্রধান সম্পদ। সেখানে ঝুমুর, ভাদু,  তুষুর সুরে বেশ মিল। গানে সারল্য, উৎসবে, পার্বনে  বাংলা গানের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে রাঢ় বাংলা।  ভারতের পূর্বাঞ্চলের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও ঝাড়খণ্ডের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিই মূলত রাঢ় অঞ্চল। বাংলার অন্তর্ভুক্ত রাঢ় অঞ্চলের জেলাগুলি হল পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, বর্ধমান, বীরভূম জেলার রুক্ষ্ম কাকুরে পাথুরে মাটি। এই অংশকেই রাঢ়বাংলা বলা হয়। এই অঞ্চলে যেসব লোকসঙ্গীত প্রচলিত তা হল ঝুমুর গান, টুসু, ভাদু, হাপু, ছৌ ইত্যাদি। বাংলার এইসব গান খুব জনপ্রিয়। রাঢ় অঞ্চলের সর্বত্রই কম বেশি বাউল ও ফকিরী গানের প্রচলন থাকলেও বীরভূম জেলায় বাউল গানের আধিক্য লক্ষ্যনীয়। পুরুলিয়া জেলায় অযোধ্যা, বাগমুণ্ডি ও সংলগ্ন অঞ্চলে ছৌ নাচ ও গানের আধিক্য লক্ষ্যনীয়। রাঢ়ের অন্যান্য জেলাগুলিতে ছৌ এর প্রচলন নেই। তবে সর্বত্রই ঝুমুর গানের প্রচলন রয়েছে।  সাধারণভাবে ঝুমুর গান কে লাল মাটির গানও বলা হয়। রাঢ় বাংলার মাটি কাঁকুরে লাল বা হলুদ রঙের।  ঝুমুর Read More …

ভূত ও অদ্ভূত কাহিনী

পণ্ডিত অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায় প্রত্যেক দেখার একটা গোড়ার কথা থাকে। আমার এই লেখায় গুড়ার কতটা আমার নিজের ভাষায় না লিখে উদ্ধৃত করে দিচ্ছে। তার কারণ এই উদ্ধৃতির মধ্যে আমার ভূত সম্বন্ধে ধ্যানধারণা অভিজ্ঞতা বা অনভিজ্ঞতা সবই লুকিয়ে আছে। পণ্ডিত প্রবর সুকুমার সেন মহাশয়ের লেখা একটা বই আছে যার নাম ‘কলিকাতার কাহিনী’। সেই বইয়ের ৫৪ পাতায় একটি প্রবন্ধ আছে “ভূত ও ভীতি” নামে। এই প্রবন্ধের গোড়ায় সুকুমার বাবু লিখেছেন, ড. শ্রীসুভদ্রকুমার সেন কিছু দিন আগে একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন কলকাতার ভূত” নামে সেটি এখানে উদ্ধৃত করছি। “নানান চরিত্রের মানুষের নানান ধরনের মৃত্যুর নীরব সাক্ষী। এই শহর। অনাগত ভবিষ্যৎ একদিন বর্তমান হয়েছে এবং তারপর প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে সেই বর্তমান আবার এক সময়ে ‘ভূত হয়েছে। আর ‘ভূত’ কাল যখন নিজেকে বর্তমানে প্রক্ষেপ করে তখনই ভৌতিক সত্তা আত্মপ্রকাশ করে এবং ভীতির সঞ্চার করে। তবে অনেক কিছুর মত ভূত ও বিশ্বাসের ব্যাপার। বিশ্বাস করতে আছে; না করলে নেই। গল্পের বাইরে ভূতের অস্তিত্ব প্রমাণ করা মুশকিল। ব্যক্তির অভিজ্ঞতা Read More …

দণ্ডিত সম্রাট উলুঘ বেগ

-শক্তি মণ্ডল ১৩৯৪ সালের ২২ মার্চ।বিশ্বত্রাস তৈমুর লঙ তার রণনিপুণ সেনাবাহিনীর সাহায্যে,অমিত বিক্রমে দখল করেছেন মারদান দুর্গ।যেটূকু প্রতিরোধ এসেছিল,তাকে সবলে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।এবার বিজয়ী সম্রাট দুর্গ প্রকারের মধ্যেকার বাসিন্দাদের শাস্তি ঘোষণা করবেন।সৈন্যরা এই ঘোষণার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।কেননা, এবার তাদের মওকা।এখন মনের সুখে খুন,লাম্পট্য, লুঠের মজা নেওয়া যাবে। সোনাদানায় ভরে উঠবে তাদের ব্যক্তিগত পুঁজি। এমন সময় পরিবারের বিশ্বস্ত বার্তাবাহক সম্রাটকে একটি চিরকুট দিয়ে গেল।সম্রাট উঠে দাঁড়ালেন। বললেন,”আমি সব দুর্গবাসীর বেআদবি মাফ করে দিলাম।কেননা আজ দারুণ খুশির দিন। এখুনি খবর পেলাম একটু আগেই আমার নাতির জন্ম হয়েছে।সবাই আনন্দ করো। ” এই নাতিই মহম্মদ তারাঘাই বিন শাহরুখ।সাম্রাজ্যের লোকেরা আদর করে বলত ‘উলুঘ বেগ’, অর্থাৎ মহান রাজপুত্র।উলুঘের জন্ম কাস্পিয়ান সাগরের তীরে সমরকন্দের সুলতানাইয়া প্রাসাদে।বাবা দোর্দণ্ডপ্রতাপ শাহরুখ মির্জা।মা তৈমুর ঘরানার শ্রেষ্ঠ বিদুষী, স্বাধীনচেতা গওহর সাদা।তৈমুরী রীতি অনুসারে নাতি বড়ো হয়ে উঠতে থাকে দাদু ও দাদির স্নেহে যত্নে। তৈমুর তখন সমরকন্দকে তার রাজধানী হিসাবে গড়ে তুলেছেন।সমরকন্দের অর্থ হল পাষাণ- দুর্গ। আলেকজান্ডার যখন এটি দখল করেন,তখন Read More …

লৌকিক ব্রত : তুসু ও ভাদু গান

দেবাশিস মণ্ডল বাংলায় অসংখ্য আঞ্চলিক গীতি চোখে পড়ে। এরমধ্যে রাঢ় বঙ্গে ‘টুসু’ বা ‘তুসু’ এবং ‘ভাদু’ গানগুলি গ্রামের কম বয়সী মেয়েদের একান্তভাবে নিজস্ব সঙ্গীত। এক মাস ধরে প্রতিদিন গান গেয়ে ‘টুসু’ এবং ‘ভাদু’র গুণ কীর্তন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, মেদিনীপুর জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে প্রায় সব পরিবারেই এই দুটি উৎসবের প্রচলন রয়েছে। যদিও আধুনিকতার ব্যাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে আঞ্চলিক গান ও উৎসবের আধিপত্য কমে যাচ্ছে। তবু সাধারণ পরিবারে এই পরব বা উৎসবের প্রচলন রয়েছে। অঞ্চল ভেদে তুসু বা টুষু আর ভাদু গানের কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যদিও মূলগত দিক থেকে যথেষ্ট মিল রয়েছে। ‘টুসু’ কোথাও তুযু, তুষ-তুষলী বা তোষলা নামে পরিচিত। অগ্রহায়ণ সংক্রান্তির দিন গ্রামের মেয়েরা তাদের আদরের দেবীকে প্রতিষ্ঠা করেন। নতুন একটি মাটির সরাকে পিটুলি গোলা জল দিয়ে সাদা রঙ করা হয়। এর উপর লাল সবুজ রঙে চিত্রিত করা হয়। এই সরাটির মধ্যে রাখা হয় কিছু নবান্নের তুষ। কোথাও কোথাও সরার উপর সাদা রঙ করার পর Read More …

প্রতিবাদী প্রান্তিক : রবীন্দ্রনাথের বলিষ্ঠ কলম

ড. রাজশ্রী ভট্টাচার্য Abstract This paper examines the protest-oriented and ethically charged dimension of Rabindranath Tagore’s late poetry, with particular focus on Prantik (1938) and related writings composed on the eve of the Second World War. Positioned at the threshold of global catastrophe, Tagore’s poetic voice assumes a bold moral intensity, responding to rising militarism, imperial aggression, and the ethical crisis of modern civilization. The poems “Prantik 17” and “Prantik 18,” written on 25 December 1937, reflect his deep anxiety over Japanese expansionism in China and the broader disintegration of human values. Through prophetic imagery—serpentine poison, demonic forces, and apocalyptic turbulence—Tagore articulates a fierce denunciation of violence while upholding an uncompromising humanism. The study further contextualizes these poems alongside “Buddhabhakti” from Nabajatak and prose reflections such as “Sabhyatar Sankat” in Kalantar, demonstrating how Tagore’s critique of aggressive nationalism evolves into a universal ethical appeal. His correspondence with Japanese intellectuals and Read More …