স্মৃতির সরণী বেয়ে : মানস চক্রবর্তী-ভবানীশঙ্কর দাশগুপ্ত
স্মৃতির সরণী বেয়ে : মানস চক্রবর্তীpdf বাংলা ভাষায় যে সকল শিল্পী খেয়াল ও ঠুংরি রচনা করেছেন ও পরিবেশন করেছেন, তাঁদের মধ্যে তিনজনের নাম সঙ্গীতের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁরা হলেন—আচার্য জ্ঞানেন্দ্র প্রসাদ গোস্বামী, আচার্য ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায় এবং আচার্য তারাপদ চক্রবর্তী। এঁরা সকলেই আমার ঠাকুরদা শ্রী প্রফুল্লমোহন দাশগুপ্তের সমসাময়িক ও অন্তরঙ্গ বন্ধু ছিলেন। জ্ঞানেন্দ্র প্রসাদ গোস্বামী ও তারাপদ চক্রবর্তীকে চোখে দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি, তবে ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়কে শেষ জীবনে দেখেছিলাম, যখন তিনি বয়সজনিত দুর্বলতায় ও মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। তবে তারাপদ বাবুর সুযোগ্য পুত্র, প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী পণ্ডিত মানস চক্রবর্তী–র সঙ্গে আমাদের পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিনি বাবাকে ‘দাদা’ বলে ডাকতেন, ঠাকুমাকে ডাকতেন ‘মা’ বলে, এবং প্রকৃত অর্থেই সেই সম্বোধনগুলিকে মর্যাদা দিতেন। ব্যক্তিত্ব, ভদ্রতা, ও সঙ্গীতানুশীলনের দিক থেকে তিনি ছিলেন এক অনন্য সাধক ও আদর্শবান মানুষ। বাংলা ভাষায় শাস্ত্রীয় সংগীতচর্চার ইতিহাসে খেয়াল ও ঠুংরি রচনাকারী এবং পরিবেশক হিসেবে কিছু শিল্পীর নাম সর্বদাই আলোচিত হয়েছে। আচার্য জ্ঞানেন্দ্র প্রসাদ গোস্বামী, আচার্য ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায় এবং আচার্য তারাপদ চক্রবর্তী—এই তিনজন বাংলার Read More …